বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ১ মাঘ ১৪৩২ ।। ২৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবেন না বলে জানিয়েছেন জামায়াত আমির’ ভুল সংবাদের ভিত্তিতে ইসি শোকজ করেছে: মাওলানা মামুনুল হক এলপিজি গ্যাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের বড় পদক্ষেপ  ইসিতে শুনানির পঞ্চম দিনে আরও ৭৩ প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে যা বললেন ফেলানীর ছোট ভাই ইসলামী আন্দোলনের আমীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে কাউকে অনুরোধ করেন নাই কুষ্টিয়ায় শীতার্তদের দ্বারে দ্বারে ‘রেডিয়েন্ট সার্কেল’ বাড্ডায় নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়ায় তাকমীল জামাতের সমাপনী দরস অনুষ্ঠিত

দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ায় ইউপি চেয়ারম্যান বরখাস্ত

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার পাকড়ী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবদুর রাকিব সরকারকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জানে আলম।

তিনি বলেন, মূলত পাকড়ী ইউনিয়নের সদস্যরা তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তোলেন। ইউনিয়ন পরিষদের আইন অনুযায়ী তিনি অনাস্থা ভোটে পরাজিত হন। এক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদের ২০০৯/৩১ এর ১ উপধারার আইনের ভিত্তিতে গত ৪ মার্চ তার পদ শূন্য করা হয়।

ইউএনও আরও বলেন, ৩৫-এর উপধারা ২-এর ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিস থেকে একটি গেজেট প্রকাশ করা হয়। নিয়ম অনুসারে পদ শূন্য থাকলে ছয় মাস সময় হাতে থাকলে উপনির্বাচন করা হয়। যেহেতু সেই সময়টুকু হাতে নেই তাই তার পরিবর্তে বাকি সময়টুকু দায়িত্ব পালন করতে পারবেন প্যানেল চেয়ারম্যান।

এর আগে ইউপি চেয়ারম্যানের বরখাস্তের বিষয়ে গত সোমবার (৮ মার্চ) স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মুহা. আবু জাফর রিপন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এতে চেয়ারম্যান আবদুর রাকিব সরকারকে বরখাস্ত করে তার পদটি শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে।

বেশকিছু অনিয়ম-দুর্নীতির বিবরণ তুলে ধরে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, একই প্রকল্প বার বার বাস্তবায়ন দেখিয়ে চেয়ারম্যান সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এসব কারণে পরিষদের ১০ জন সদস্য তার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনেন।

পরবর্তীতে তদন্ত কর্মকর্তা গোপন ব্যালটের মাধ্যমেও অনাস্থা প্রস্তাবের ব্যাপারে ভোটগ্রহণ করেন। সেখানেও অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে ১০টি ভোট পড়ে যা দু-তৃতীয়াংশের বেশি। এ কারণে অনাস্থা প্রস্তাবটি অনুমোদন হয়েছে।

অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান আবদুর রাকিব সরকার বলেন, এরকম প্রজ্ঞাপন হয়েছে বলে শুনলাম। ই-মেইলে নাকি ইউনিয়ন পরিষদে পাঠানো হয়েছে। আমি দেখিনি, কোনো চিঠিও পাইনি। চিঠি পাওয়ার পর বিষয়টি আইনগতভাবে মোকাবিলা করা হবে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ