শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৪ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কমিটিতে কারা ঠাঁই পেলেন, দেখুন তালিকা ছুটিতেও স্মার্টফোন থেকে দূরে, পুরস্কৃত জামিয়া রশীদিয়ার আড়াই হাজার শিক্ষার্থী ঐতিহাসিক সামরিক চুক্তিতে সই করল শক্তিশালী তিন মুসলিম দেশ জাতীয় মসজিদে জুমার বয়ানে দেওবন্দের মুহতামিমের পাঁচ নসিহত প্রকৃত সুখের একমাত্র পথ ঈমান ও সৎকর্ম: মসজিদে নববীর খতিব আল্লামা আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করবেন প্রধানমন্ত্রী জুনায়েদ জামশেদের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের স্মৃতিচারণায় মাওলানা তারিক জামিল সৎ, পরিশুদ্ধ ও আদর্শবান মানুষের হাতে ক্ষমতা দিতে হবে: পীর সাহেব চরমোনাই টাওয়ার হ্যামলেটস স্পিকারের সঙ্গে সিলেট-৫ আসনের এমপির বৈঠক শায়খ আওয়ামার মোবারক সান্নিধ্যে

মশা এই মুহূর্তে আমাদের জন্য বড় ‘থ্রেটেনিং’: মেয়র আতিক

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মুহা. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, মশা এই মুহূর্তে আমাদের জন্য বড় ‘থ্রেটেনিং’। মশা নিয়ন্ত্রণে আমরা ইতোমধ্যে ক্রাশ প্রোগ্রাম হাতে নিয়েছি। আগামী ৮ মার্চ থেকে অভিযান চলবে।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর বনানী ১ নম্বর রোডে শহিদ যায়ান চৌধুরী মাঠ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তেব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আতিক বলেন, ৮ মার্চ ডিএনসিসির সকল কর্মকর্তা, মশক নিধন কর্মী, মশক নিধন সম্পর্কিত সকল যন্ত্রপাতি,পরিচ্ছন্নতা কর্মী অঞ্চল-২ নিয়ে যাওয়া হবে। তারপর সমন্বিত মশক নিধন অভিযান পরিচালিত হবে। এটি হবে অঞ্চলভিত্তিক ক্রাশ প্রোগ্রাম। এরপরের দিন অঞ্চল-৪ অভিযান পরিচালিত হবে।

এভাবে সকল অঞ্চলে ১৬ই মার্চ পর্যন্ত (শুক্রবার ব্যতীত) এ ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হবে। একটি অঞ্চলে মোট চোদ্দশ মশক নিধন কর্মী কাজ করবে। ১৬ মার্চ প্রথম দফা ক্রাশ প্রোগ্রাম শেষ হওয়ার পরে এক দিন বিরতি দিয়ে আবার ক্র্যাশ প্রোগ্রাম শুরু হবে। একদল বিশেষজ্ঞ কীটতত্ত্ববিদ থাকবেন। তারা ক্রাশ প্রোগ্রামটি সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কিনা তা মনিটরিং করবেন। মশার কীটনাশকের কার্যকারিতা পরীক্ষা করবেন।

মেয়র বলেন, কিছুদিন আগে আমরা বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্ক, উদায়াচল পার্ক উদ্বোধন করেছি। সেখানে সবাই খেলতে আসে, কোন ধরনের বাধা নেই। আমরা মাঠ ও পার্কগুলো সুষ্ঠুভাবে ব্যবস্থাপনার জন্য উন্মুক্ত দরপত্র আহবান করছি। যাকে মাঠ ব্যবস্থাপনার জন্য দেব, তার মাঠ সম্পর্কে, খেলা সম্পর্কে, মাঠ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

তিনি বলেন, আগামীর ভবিষ্যৎ শিশু-কিশোররা এবং নারীরাও এই মাঠে খেলতে পারবে। এমনকি পথ শিশুরাও যাতে এখানে খেলতে পারে। রাতেও যাতে খেলাধুলা করা যেতে পারে সেজন্য ব্যবস্থা করা হবে। এই মাঠের আশেপাশে যারা আছে, সবাই যেনো এখানে এসে খেলতে পারে। নিরাপত্তার জন্য ক্যামেরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শহিদ যায়ান চৌধুরী এই মাঠে খেলতো, তাই তার নামে এই মাঠটির নামকরণ করা হয়েছে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ