শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কমিটিতে কারা ঠাঁই পেলেন, দেখুন তালিকা ছুটিতেও স্মার্টফোন থেকে দূরে, পুরস্কৃত জামিয়া রশীদিয়ার আড়াই হাজার শিক্ষার্থী ঐতিহাসিক সামরিক চুক্তিতে সই করল শক্তিশালী তিন মুসলিম দেশ জাতীয় মসজিদে জুমার বয়ানে দেওবন্দের মুহতামিমের পাঁচ নসিহত প্রকৃত সুখের একমাত্র পথ ঈমান ও সৎকর্ম: মসজিদে নববীর খতিব আল্লামা আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করবেন প্রধানমন্ত্রী জুনায়েদ জামশেদের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের স্মৃতিচারণায় মাওলানা তারিক জামিল সৎ, পরিশুদ্ধ ও আদর্শবান মানুষের হাতে ক্ষমতা দিতে হবে: পীর সাহেব চরমোনাই টাওয়ার হ্যামলেটস স্পিকারের সঙ্গে সিলেট-৫ আসনের এমপির বৈঠক শায়খ আওয়ামার মোবারক সান্নিধ্যে

জিয়াউর রহমানের নাগরিকত্ব বাতিলের আশঙ্কা প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর বলেছেন, ‘রাজাকাররা আওয়ামী লীগ করলে বিরাট মুক্তিযোদ্ধা, আর না করলে রাজাকার। তাই তারা জিয়াউর রহমানের খেতাব বাতিল করতে চায়। আর কিছুদিন পর তারা বলবে, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের নাগরিকই নয়। তারা নাগরিকত্ব বাতিল করবে, এটা আওয়ামী লীগের পক্ষেই সম্ভব।’

গতকাল শনিবার বিকেলে খুলনা নগরীর কে ডি ঘোষ রোডে দলের বিভাগীয় মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সাবেক মন্ত্রী শাহজাহান ওমর আরো বলেন, ‘আওয়ামী লীগ কোনো গণতান্ত্রিক দল নয়। তারা কোনো গণতান্ত্রিক নির্বাচনেই জিততে পারেনি। ১৯৭৩ সালে বাকশাল, ২০০৮ সালে ফখরুদ্দীন-মইন, ২০১৪ সালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই ক্ষমতায় এসেছে। ২০১৮ সালে তো ভোটই হয়নি। তাই তাদের কাছে কোনো দাবি নেই। দাবি আমাদেরই আদায় করতে হবে। এই দলটি ব্যাংক লুটের দল, ধর্ষকের দল, ইয়াবা ও ক্যাসিনোর দল।’

সমাবেশে অন্য বক্তারা বলেন, আওয়ামী লীগ কখনো গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। এ কারণে খুলনার মহাসমাবেশের অনুমতি দেয়নি। তারা গণতন্ত্রকে ভয় পায়। সব সিটির ভোট চুরি প্রকাশ্য হয়ে যাবে বলে এখানকার আওয়ামী লীগ নেতারাও জনসভা চাননি। এতে জনগণের কাছে তাঁদের সব কিছু উন্মোচিত হয়ে যাবে। তাঁরা সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র হরণ করে নিকৃষ্টতম দেশে পরিণত করেছেন। তাই ঐক্যবদ্ধভাবে গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য লড়াই করতে হবে।

বিএনপি নেতারা বলেন, দেশে গণতন্ত্র থাকলে বিএনপি চেয়ারপারসনকে জেলে থাকতে হতো না। তারেক রহমানকে দেশের বাইরে থাকতে হতো না।

বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জুর সভাপতিত্বে মহাসমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী ও যুগ্ম মহাসচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। বক্তব্য দেন বরিশাল সিটির মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. মজিবর রহমান সরোয়ার, রাজশাহীর মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল ও ঢাকা দক্ষিণের মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ