শনিবার, ০৮ আগস্ট ২০২৬ ।। ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ ।। ২৫ সফর ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘ঈমান-আকিদা রক্ষায় দেশের আলেমরা এক ছাতার নিচে জড়ো হবেন ১৫ আগস্ট’  চার দিনের সফর শেষে দেওবন্দে ফিরে গেলেন মুফতি আবুল কাসেম নোমানী সিরাজগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২, আহত‌ ১০ মুসলিমদের ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ব ঈমানের অপরিহার্য ভিত্তি: মসজিদুল হারামের খতিব দোয়ার মাধ্যমে আজ শুরু হবে আলওয়াসি হজ গ্রুপের নতুন অফিসের কার্যক্রম আজ জমিয়তের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কাউন্সিল প্রধানমন্ত্রীকে বরণে বাবুনগরে ব্যাপক প্রস্তুতি, উপস্থিত থাকবেন শীর্ষ আলেমরা ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের কমিটিতে কারা ঠাঁই পেলেন, দেখুন তালিকা ছুটিতেও স্মার্টফোন থেকে দূরে, পুরস্কৃত জামিয়া রশীদিয়ার আড়াই হাজার শিক্ষার্থী ঐতিহাসিক সামরিক চুক্তিতে সই করল শক্তিশালী তিন মুসলিম দেশ

মাহফিলে শ্রোতাদের উদ্দেশ্যে ইউপি চেয়ারম্যানের ‘প্রকাশ্য হুমকি’: বক্তার গাড়ি ভাঙচুর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

কাউসার লাবীব।।

কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের নারায়নপুর গ্রামে সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) মরহুম মাওলানা আফসার উদ্দিন স্বরণে নারায়ণপুর যুব সমাজের উদ্যোগে আয়োজিত ওয়াজ মাহফিলে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

জানা যায়, মাওলানা এম হাসিবুরের বক্তব্যের সময় রাত সাড়ে ১১ টার দিকে স্থানীয় ইউপি পরিষদের চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন শামীম-কতৃক হামলার শিকার হয়েছেন।

এ বিষয়ে তিনি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বলেন, ‘কুমিল্লা জেলার লাকসাম উপজেলায় গোবিন্দপুর ইউনিয়নের নারায়াণপুর গ্রামের মাহফিলে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন শামীম-এর নেতৃত্বে তার গুণ্ডাবাহিনী আমার গাড়ি ভাংচুর করে। মাহফিলে আমার আলোচনা চলাকালীন স্বঘোষিত এই গুণ্ডা চেয়ারম্যান তার স্বসস্ত্র গুণ্ডাবাহিনী নিয়ে মাহফিলস্থলে এসে মাহফিলে গণ্ডগোল সৃষ্টি করে।’

মাওলানা এম হাসিবুরের আপলোডকৃত ভিডিওতে দেখা যায় ইউপি চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন শামীম  অকথ্য ভাষায় মাহফিলে আগত শ্রোতাদের গালিগালাজ করছে। গালাগালির পাশাপাশি তিনি উপস্থিত প্রতিবাদী শ্রোতাদের হুমকি দিয়ে বলতে থাকেন- ‘আমি গুণ্ডা-মাস্তান থেকে চেয়ারম্যান হয়েছি। কারো সাহস থাকলে সামনে আসো। বেশি বাড়াবাড়ি করলে আমি তাদেরকে খুন করবো। কারো লাশ খুঁজে পাওয়া যাবে না।তাদের ঘরবাড়ি মরুভূমি বানিয়ে দিবো।

ইউপি চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন শামীম উপস্থিত প্রতিবাদী শ্রোতাদের উদ্দেশ্যে কসম করে বলেন, আমি তাদের  মায়ের পেটের বাচ্চা পর্যন্ত মেরে ফেলবো। আমি সবার ছবি তোলে রেখেছি। দেখবো কে কোন এলাকা থেকে এসেছে। সবগুলোর সঙ্গে বোঝাপড়া হবে।’

এ প্রসঙ্গে মাওলানা এম হাসিবুর বলেন, এসবের পর অবস্থা বেগতিক দেখে আমি স্টেইজ থেকে নেমে নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশে ফোন করে পুলিশ প্রোটেকশন চাই। এরই মধ্যে আমার গাড়িও ভাংচুর করা হয়। অবশেষে পুলিশের ভাইয়েরা আমাকে নিরাপত্তা দিয়ে আমার লোকজনসহ নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দিয়েছেন।

-কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ