শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে মাঝপথে ইঞ্জিন বিকল, আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে বলাকা কমিউটারের যাত্রা জিয়া সরণি খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা পাকিস্তানে পৌঁছেছে মার্কিন প্রতিনিধিদল তাপমাত্রা বাড়ার ইঙ্গিত, সপ্তাহের মাঝামাঝি বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস কৃষক-ভোক্তার সরাসরি সংযোগে স্বস্তি আসবে বাজারে: বাণিজ্যমন্ত্রী গুজব ও যাচাইবিহীন তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকুন: কাবার ইমাম

ভ্যাকসিনে হারাম কিছু ব্যবহৃত হলে আলেমদের ফতোয়া লাগবে: আল্লামা ফরীদ উদ্দীন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

করোনার ভ্যাকসিন বিষয়ে একটি মোটা দাগের কথা হলো ইসলামে করোনার টিকা নিতে মোটেও নিষেধ করে না। জনগণ নির্ভয়ে করোনার টিকা নিতে পারেন। বিজ্ঞ আলেমরা জনগণকে করোনার টিকা নিতে উৎসাহিত করছেন। কেননা করোনার টিকা যারা অনুমোদন দিয়েছেন, তারা জেনে শুনে ও গবেষণা করেই করোনার টিকা অনুমোদন করেছেন। তারা বিজ্ঞ ডাক্তার। তাই সব ভয় কাটিয়ে টিকা নিতে পারে জনগণ। কথাগুলো বলছেন দেশের বিজ্ঞ আলেমগণ। দেশের খ্যাতনামা এসব বিজ্ঞ আলেমদের সঙ্গে কথা বলেছেন আওয়ার ইসলামের নিউজরুম এডিটর মোস্তফা ওয়াদুদ। আজকের এ পর্বে থাকছে জামিয়া ইকরা বাংলাদেশ এর মুহতামিম আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ এর মন্তব্য।


দেশের বিজ্ঞ আলেম আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসউদ করোনার ভ্যকসিন বিষয়ে সুচিন্তিত মতামত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, করোনার ভ্যাকসিনে কী উপাদান ব্যবহার করা হয়েছে সেটা আমার জানা নেই। তবে যদি হারাম কোনো কিছু ব্যবহার করা হয়ে থাকে তাহলে এর ব্যবহারে আলেমদের ফতোয়া লাগবে।

তিনি বলেন, যদিও চিকিৎসার ক্ষেত্রে হালাল জিনিস পাওয়া না গেলে হারাম জিনিসের অনুমোদন দেয় শরিয়ত। কিন্তু কোনো চিকিৎসার ঔষধ হালাল জিনিসের দ্বারা করা যাবে না; এমন নিশ্চয়তা কোনো বিজ্ঞ ডাক্তার থেকে নিতে হবে। আর যে কোনো রোগের চিকিৎসা নিতে শরীয়ত কখনো নিষেধ করে না। বরং রোগ হলে চিকিৎসা নেয়া আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাত।

সুতরাং করোনার প্রতিষেধক হিসেবে আবিস্কৃত করোনার টিকা নেওয়াতে কোনো সমস্যা নেই। তাই দেশের জনগণ নির্ভয়ে টিকা নিতে পারেন। কেননা ভ্যাকসিন যারা তৈরি করেছেন তারা অনেক গবেষণা ও রিসার্চ করার পরেই ভ্যাকসিন বাজারে ছেড়েছেন। করোনার প্রতিষেধক হিসেবেই ডাক্তাররা এটাকে অনুমোদন দিয়েছেন।

ইসলামেও রোগের ক্ষেত্রে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে বলা হয়েছে। সুতরাং সাধারণ জনতার ছড়ানো গুজবে কান না দিয়ে ভ্যাকসিন নেয়াটাই জরুরি বলে মনে করছি। আর ভ্যাকসিন নেওয়ার ক্ষেত্রে এটা কোন জায়গার ভ্যকসিন সেদিকে তাকানোর প্রয়োজনবোধ মনে করছি না। ভারতের ভ্যাকসিন যদি করোনার প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে তাহলে এর দ্বারা চিকিৎসা নেওয়া তো নাজায়েজের কিছু নেই। সুতরাং শুধু শুধু আতঙ্ক ছড়িয়ে জনমনে ভীতি ছড়ানোর মানে হয় না।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ