বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদরাসায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে কী বলছেন চিন্তাশীল আলেমরা পশ্চিমবঙ্গে ‘ইনশাআল্লাহ’, ‘জাজাকাল্লাহ’ বলে বিপাকে পুলিশ কর্মকর্তা কুমিল্লা আইনজীবী সমিতিতে ইসলামী আইনজীবী পরিষদের মতবিনিময় চামড়া শিল্পে ইতালির বিনিয়োগ ও অংশীদারত্ব বাড়ানোর উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গে মধ্যরাতে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বাংলাভাষী মুসলিমদের! হারামাইনের নিরাপত্তা সব রাজনৈতিক বিরোধের ঊর্ধ্বে: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টায় বাংলাদেশের নিন্দা ফতোয়া ও আত্মশুদ্ধির ময়দানে মুফতি সাঈদ আহমদ রহ. সৌদিতে ১৩০০ বছরের পুরনো মসজিদের সন্ধান, দেয়ালে নবীজির নাম মক্কার নিরাপত্তা ও পবিত্রতার প্রতি হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়: জমিয়ত

মোদির কৃষি আইন স্থগিত করলো ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকারের পাস করা নতুন তিন কৃষি আইনে আবারও স্থগিতাদেশ দেয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার এক আদেশে এ স্থগিতাদেশ দিয়েছেন ভারতীয় সুপ্রিম কোর্ট।

পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত আইনগুলো কার্যকর করা যাবে না জানিয়ে আদালত বলেছেন, সরকার পক্ষ এবং আন্দোলনকারী কৃষকদের মধ্যে বোঝাপড়ায় একটি বিশেষ কমিটি গঠন করতে হবে। আর সেটি বাস্তবায়নে এ সময় সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেন দেশটির সর্বোচ্চ আদালত।

দেশের গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, আন্দোলনকারীদের সঙ্গে এ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকারের অন্তত আট দফা বৈঠক হলেও কোনো সমাধানে আসা সম্ভব হয়নি। কৃষকদের মতামত নিয়ে সরকার আইন সংশোধনেরও প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু তাতেও রাজি নয় আন্দোলনকারীরা। তাদের দাবি, বিতর্কিত এই আইন বাদ দিতে হবে।

এদিকে, সুপ্রিম কোর্টের এই রায়ও গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে কৃষক সংগঠনগুলো। তারা বলছে, কোনো সমঝোতা নয়, সরকারকে এ আইন প্রত্যাহার করতে হবে। তাহলেই সমস্যার সমাধান হবে।

আন্দোলনকারী পক্ষের আইনজীবী আজ আদালতে বিষয়টি জানান। জবাবে এটাকে ‘রাজনীতি নয়’ মন্তব্য করে ভারতের প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদে, এএস বোপান্না এবং ভি রামসুব্রহ্মণ্যমের ডিভিশন বেঞ্চ বলেন, রাজনীতি এবং বিচার ব্যবস্থা আলাদা জিনিস। দুটোর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। তাই এ সমস্যা সমাধানে সবার সহযোগিতা লাগবে।

বিচারকরা বলেন, ক্ষমতাবলে আমরা আইন স্থগিত করতে পারলেও সেটা অনির্দিষ্টকাল স্থগিত রাখা যাবে না। কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত একটি বিচারবিভাগীয় প্রক্রিয়া এবং এর মধ্য দিয়ে বিষয়টি সম্পর্কে জানা যাবে। সমাধান চাইলে এই কমিটির কাছে যেতে হবে। কমিটি কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না এবং শাস্তিও দেবে না, তারা কেবল আদালতের কাছে প্রতিবেদন জমা দেবে।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ