রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬ ।। ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮


বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মনে একুশের ভাবনা ও প্রত্যাশা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বৈশ্বিক মহামারী করোনার মধ্যে কেটে গেলে ২০২০ সাল। এটা বিশ না বিষ ভাববার বিষয়। এইভাবে একুশও কেটে যাবে আমাদের মাঝ থেকে। তাই একুশ নিয়ে কিছু শিক্ষার্থীর ভাবনা নিয়ে সাজিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় আল হাদিস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ এর শিক্ষার্থী মুহাম্মদ নাজমুচ্ছাকিব ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি এর শিক্ষার্থী রুখসানা খাতুন।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, জাহিদ আহসান বলেন, করোনা প্রভাবিত একটি দুঃসহ বছর পার করে পা দিলাম ২০২১ এ। প্রত্যাশার প্রথম পর্বেই থাকবে করোনা মহামারী থেকে মুক্তি। আল্লাহর দরবারে অবরিত প্রার্থনা। অতিদ্রুত যেন বিশ্বজুড়ে করোনা ভ্যাকসিন চলে আসে।দ্বিতীয়ত করোনা সংলগ্নতায় যে সমস্ত সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে তা কাটিয়ে ওঠাটা সময়ের সব থেকে বড় আরজি হিসাবে পরিগণিত। তাবৎ দুনিয়ায় রাজনীতি, অর্থনীতি সমাজ নীতির ধরণ শতভাগ পাল্টে গেছে। করোনা পরবর্তী সময়ে যদি এই পাল্টে যাওয়া যদি সুখের থেকে কষ্টের বেশি হয় তাহলে তাহবে খুব দুঃখজনক। তাই পরবর্তী সময় যেন সুখের হয় সে দিকে খেয়াল্ল রাখা অতীব জরুরি। প্রত্যাশার কাতারে বয়ান দিতে গেলে এর সমাপ্তি হবে না।মানুষ যত পাইবে, তত চাইবে।

তবে আমি একজন বাংলাদেশি হিসাবে  তিনটি চাওয়া চাইব।বাংলার মুখের সুখ আর সমৃদ্ধির জন্য বাকি চাওয়াগুলা না হয় অন্য কেউ চাইবেন।

বাংলাদেশে গত একবছরে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন প্রায় সহস্রাধীক নারী।যার মধ্যে গণ-ধর্ষণ ছিলো ।ধর্ষণরোধে বড় নিয়ামক কঠোর আইন এবং দ্রুত তার বাস্তবায়ন। ধর্ষকের লাগাম টেনে ধরতে না পারলে ধর্ষণ বন্ধ আদৌ সম্ভব হবে না। নারীদের নিরাপত্তার স্বার্থে সকল ধর্ষণের ঘটনার কঠিন শাস্তি বাস্তবায়ন এর দাবি জানাচ্ছি।

কেবল মাত্র ২০২০ এ বাংলাদেশ-ভারত সিমান্তে ৪৩ জন বাংলাদেশি বিএসএফ এর গুলিতে নিহিত হয়েছে। গত দশকের সংখ্যা হিসাব করলে তা চার-শতাধিক হয়ে যাবে। ভয়াবহ এক আতঙ্কের নাম সিমান্ত হত্যা। অনতিবিলম্বে সিমান্ত হত্যা রোধে বাংলাদেশ সরকারকে কঠোর কর্ম সূচি গ্রহণ করতে হবে।

বাংলাদেশে বর্তমান মাথাপিছু ঋণ ৭৯ হাজার টাকা। এর মূল কারণ উন্নয়নের দোহাই দিয়ে বহিঃবিশ্ব থেকে ঋণ আনা, অসাধু শিল্পপতিদের অর্থ পাচার, এবং লাগামহীন দুর্নীতি। সদ্য সমাপ্ত হওয়া পদ্মা সেতুর বাজেট ছিল দশ হাজার কোটি টাকা। কাজ এখনো শেষ হয় নাই কিন্তু সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ি à