বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৬ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদরাসায় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে কী বলছেন চিন্তাশীল আলেমরা পশ্চিমবঙ্গে ‘ইনশাআল্লাহ’, ‘জাজাকাল্লাহ’ বলে বিপাকে পুলিশ কর্মকর্তা কুমিল্লা আইনজীবী সমিতিতে ইসলামী আইনজীবী পরিষদের মতবিনিময় চামড়া শিল্পে ইতালির বিনিয়োগ ও অংশীদারত্ব বাড়ানোর উদ্যোগ পশ্চিমবঙ্গে মধ্যরাতে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বাংলাভাষী মুসলিমদের! হারামাইনের নিরাপত্তা সব রাজনৈতিক বিরোধের ঊর্ধ্বে: পীর সাহেব চরমোনাই মক্কাকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলার চেষ্টায় বাংলাদেশের নিন্দা ফতোয়া ও আত্মশুদ্ধির ময়দানে মুফতি সাঈদ আহমদ রহ. সৌদিতে ১৩০০ বছরের পুরনো মসজিদের সন্ধান, দেয়ালে নবীজির নাম মক্কার নিরাপত্তা ও পবিত্রতার প্রতি হুমকি গ্রহণযোগ্য নয়: জমিয়ত

একাত্তরের চেতনার সাথে ধর্মীয় মূল্যবোধের সংঘাত নেই: ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুহাম্মদ ইকরামুল হক
চট্টগ্রাম দক্ষিণজেলা প্রতিনিধি

জামিয়া আরবিয়া ইসলামিয়া জিরির মুহাদ্দিস ও চট্টগ্রাম ওমরগনি কলেজের সাবেক অধ্যাপক, শিক্ষাবিদ মাওলানা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, রেডিও, টেলিভিশন ও সংবাদপত্রে আলিম ওলামাদের রাজাকার বানানোর অপপ্রয়াস কেবল দুঃখজনক নয়, ইতিহাস বিকৃতিও বটে।

আজ (১জানুয়ারি) শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটায় হেফাজত আমির আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জামিয়া আহলিয়া মঈনুল ইসলাম হাটহাজারীর বার্ষিক সালানা জলসা ও দস্তারবন্দী সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন তিনি।

এদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা শীর্ষক আলোচনায় তিনি বলেন, অন্যান্য ধর্মাবলম্বীর সাথে অধিকাংশ মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, যাদের মধ্যে অনেকেই নামাজ ও দোয়া-দরুদ পড়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করতেন। এছাড়া বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত বই একাত্তরের চিঠি নামক গ্রন্থে এসব তথ্য রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এদেশের মূল ধারার কোন আলেম রাজাকার ছিলেন না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিলো বৈষম্য ও জুলুম অত্যাচারের বিরুদ্ধে। এটা কোনক্রমেই ইসলাম ও ইসলামী সংস্কৃতির বিরুদ্ধে ছিলোনা। পৃথিবীর কোন দেশে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর আচরিত ধর্ম নিয়ে উপহাস ও ব্যঙ্গ করা হয়না। যারা মাদরাসা শিক্ষা ও আলেমদের বিরুদ্ধে বিদ্রুপ ও বিষোদগার করেন। তাদের এ বক্তব্য দেশের সংবিধান বিরোধী। কারণ মাদরাসা শিক্ষার চর্চা ও বিকাশ সংবিধান স্বীকৃত।

এসময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন, জামিয়া হাটহাজারীর মুহাদ্দিস মাওলানা মুফতি জসিমুদ্দীন, মাওলানা আশরাফ আলী নিজামপুরী ও মেখল মাদরাসার মহাপরিচালক মাওলানা নোমান ফয়েজী প্রমুখ।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ