নতুন প্রজন্ম মেতেছে নানান প্রযুক্তির খেলায়। উদ্বেগে অভিভাবকসহ গবেষকরা। ইন্টারনেট দুনিয়ার রঙিন তামাশায় অনেকে চিন্তিত সোনার টুকরো সন্তানদের ভবিষ্যত নিয়ে। টিকটক, লাইকি, বিগো এখন তরুণ প্রজন্মের সময় কাটানোর মাধ্যম। টিকটকের মাধ্যমে অনেক কিশোর-তরুণ উদ্ভট রঙে চুল রাঙিয়ে এবং ভিনদেশী অপসংস্কৃতি অনুসরণ করে ভিডিও তৈরি করছেন, যাতে সহিংস ও কুরুচিপূর্ণ কনটেন্ট থাকে। উদ্বেগজনক যে এ টিকটক ভিডিওগুলোতে নেই কোনও শিক্ষণীয় বার্তা। উল্টো এসব ভিডিওর মাধ্যমে তরুণ প্রজন্মের কাছে ভুল বার্তা চলে যাচ্ছে। বিব্রতকর, অনৈতিক ও পর্নোগ্রাফিকে উৎসাহিত করায় ইতোমধ্যে ভারত, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়ায় ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে। আমাদের দেশের তরুণরা কী ভাবছে এ বিষয়ে? কয়েকজন তরুণের সঙ্গে কথা বলেছেন আওয়ার ইসলামের ডেপুটি এডিটর আবদুল্লাহ তামিম।
তরুণ প্রজন্মই আমাদের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। একটি দেশের তরুণ প্রজন্মকে যদি সঠিক পথে পরিচালিত করা যায় তাহলে দেশ ও জাতিকে উন্নয়নের সর্বাগ্রে আরোহন করানো যায়। টিকটক, লাইকি সাম্প্রতিক সময়ের খুব আলোচিত বিষয়। সস্তা জনপ্রিয়তা লাভের আশায় আমাদের তরুণ প্রজন্ম নেশায় বুদ হয়ে টিকটক, লাইকির দিকে ঝুকছে। এই এ্যাপসগুলো নাচ,গানসহ বিভিন্ন ফানি ভিডিও, বিভিন্ন মানুষকে নিয়ে ট্রল করা ভিডিও আপলোড করা হয়। কথাগুলো বলছিলেন, মেহেদী হাসান সাকিফ প্রাবন্ধিক, ইসলাম ও বিষয়ক কলাম লেখক, শিক্ষার্থী ইসলামিক স্টাডিজ টংগী সরকারি কলেজ।
তিনি আরও বলেন, এই এ্যাপসগুলো যদিও বিনোদনের জন্য ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এসব বিনোদনের অনেকটাই অশ্লীলতা, নোংরামি এবং সুস্থ-সংস্কৃতির পরিপন্থী। অন্যদিকে আমাদের ধর্মীয় দৃষ্টিতেও এসব নিষিদ্ধ। আমাদের তরুণ প্রজন্ম যারা মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে আগামী দেশ জাতিগঠনের কর্ণদার হওয়ার কথা। সৃজনশীল গঠনমূলক কাজের সাথে জড়িত থেকে দেশ ও জাতিকে ভালো কিছু উপহার দেওয়ার কথা। কিন্তু এই এ্যাপসগুলোর মাধ্যমে অশ্লীলতা, নোংরামিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজের দিকে জড়িয়ে পড়ছে তারা।
একদিকে মিউজিক এবং ড্যান্স উভয়টিই ইসলামে হারাম বা নিষিদ্ধ। অন্যদিকে নৃত্য ও অভিনয়ের আপলোড করা ভিডিও মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষ। ইসলামী বিধানমতে, যাদের সঙ্গে দেখা করা বৈধ নয় এমন ব্যাবহারকারীদের এই নৃত্য ও অভিনয়ের ভিডিও দà