সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
পাঁচ বছরে মদিনা জিয়ারত করলেন সাড়ে ১২ কোটি ওমরাহ যাত্রী বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে চট্টগ্রামে গেলেন আমিরে মজলিস ইসলামাবাদে শীর্ষ আলেমদের সম্মেলনে মুসলিম ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২০ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের নির্দেশ শিশুদের মতো আদর-যত্নে গাছের পরিচর্যার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  কুমিল্লা জেলার দ্বীনিয়াত মুআল্লিম জোড় সম্পন্ন কেন্দ্রীয় নূরানী তালীমুল কুরআন মাদরাসার উস্তাদ আব্দুল জলিলের ইন্তেকাল ইউরোপে তীব্র তাপপ্রবাহে এক সপ্তাহে ১০ হাজার মৃত্যু বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে পাশে থাকার আহ্বান জাতীয় ইমাম পরিষদের

ভুল বুঝাবুঝির অবসান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মোস্তফা ওয়াদুদ: সম্প্রীতি একটি অপ্রীতিকর বিষয় নিয়ে ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয় দেশের জনপ্রিয় বক্তা মাওলানা মামুনুল হক ও জননন্দিত ওয়ায়েজ মাওলানা হাফিজুর রহমান সিদ্দিকীর মাঝে।

আজ সোমবার (১৬ নভেম্বর) রাজধানীর শায়েখ জাকারিয়া রিসার্চ সেন্টারে এ ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়। মাদরাসাটির পরিচালক মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদের মাধ্যমে তাদের এ ভুল বুঝাবুঝির অবসান হয় জানিয়েছেন মাওলানা মামুনুল হক। মাওলানা মামুনুল হক তার নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকে বিষয়টি জানিয়েছেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাদরাসার পরিচালক মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ, মাওলানা কেফায়াতুল্লাহ আজহারী,
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, মাওলানা মামুনুল হক ও মাওলানা হাফিজুর রহমান সিদ্দিকী। মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে ‘সেই অপ্রীতিকর’ বিষয়টির উদ্ভাবন করেছিলেন।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, ‘কিশোরগঞ্জ এলাকার কোন এক মজলিসে মাওলানা হাফিজুর রহমান সিদ্দিকী শায়খুল হাদিস মাওলানা মামুনুল হক এর ব্যাপারে বিরূপ মন্তব্য করেছেন।’ এরপরই উভয়ের মাঝে ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের ভক্তবৃন্দ একে অপরকে উস্কানিমূলক কথা বলছিল। যাতে একের প্রতি অন্যের বিরূপ আচরণ ফুটে উঠেছে। অবশেষে মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ এর মাধ্যমে বিষয়টির সুরাহা হলো আজ।

এসময় মাওলানা মামুনুল হক বলেন, ‘আমার মাঝে ও মাওলানা হাফিজুর রহমান সিদ্দিকীর মাঝে যে ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছিল তার সমাধান হয়ে গিয়েছে। আমরা একজন অন্যজনকে ক্ষমা করে দিয়েছি। এরপর আপনারা (ভক্তবৃন্দ) এই বিষয় নিয়ে আর কোন বাড়াবাড়ি করবেন না। ফেসবুকে একজনের প্রতি অন্যজন তীর্যক মন্তব্য ছুড়ে মারবেন না।’

সমাপনী বক্তব্যে মুফতি মিজানুর রহমান সাঈদ বলেন, ‘আল্লাহ তাআলার অনেক বড় মেহেরবানী তিনি আমার মাধ্যমে একটি অনেক বড় বিষয় সুরাহা করেছেন। এজন্য আমি আল্লাহ তায়ালার শুকরিয়া আদায় করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘মাওলানা হাফিজুর রহমান সিদ্দিকীর ভক্তবৃন্দ যারা আছেন, আপনারা যেভাবে ওলামায়ে কেরামের ব্যাপারে বিরূপ মন্তব্য করেছেন, এজন্য আল্লাহ তাআলার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিবেন। একই আহ্বান তিনি মাওলানা মামুনুল হকের ভক্তবৃন্দের কাছেও করেছেন।

এমডব্লিউ/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ