সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২০ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের নির্দেশ শিশুদের মতো আদর-যত্নে গাছের পরিচর্যার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  কুমিল্লা জেলার দ্বীনিয়াত মুআল্লিম জোড় সম্পন্ন কেন্দ্রীয় নূরানী তালীমুল কুরআন মাদরাসার উস্তাদ আব্দুল জলিলের ইন্তেকাল ইউরোপে তীব্র তাপপ্রবাহে এক সপ্তাহে ১০ হাজার মৃত্যু বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে পাশে থাকার আহ্বান জাতীয় ইমাম পরিষদের ‘বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা ছিল দেশের স্বার্থে, পদ-পদবি পাওয়ার জন্য নয়’ সন্ধ্যার মধ্যে ১৯ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা  মুসলিম আন্দালুসের কৃষি বিপ্লব: স্বর্ণযুগের গৌরবগাথা

এএসপি আনিসুল করিমকে হত্যা করা হয়েছে: ডিসি হারুন

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) আনিসুল করিমকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হারুন অর রশীদ। আজ মঙ্গলবার শ্যামলীতে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, চাকরির কারণে তিনি বরিশালে অবস্থান করছিলেন। হঠাৎ করে তার শরীর খারাপ হওয়ায় অর্থাৎ তিনি চুপচাপ হয়ে যাওয়ায় তাকে সরকারি মানসিক হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। মানসিক হাসপাতালে থেকে রোগী হঠাৎ করে কিভাবে আদাবরের মাইন্ড এইড হাসপাতালে চলে গেলেন বুঝতে পারলাম না।

ডিসি হারুন বলেন, কিন্তু আমরা যখন ভিডিও দেখলাম ৮-১০ জন লোক, কেউ তার মাথায় আঘাত করছে, কেউ পিঠে আঘাত করছে। তাকে টেনেহিঁচড়ে জোর করে নিয়ে যাচ্ছে। ভিডিও দেখে আমাদের স্পষ্ট মনে হয়েছে এটা হত্যাকাণ্ড । এই জন্য হত্যাকাণ্ড যে ৮-১০ জন লোক তাকে পিঠমোড়া করে নিয়ে গেছে তারা কেউ ডাক্তার না। তারা তাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায় এবং তাকে মারধোর করে।

তাদের প্রত্যককেই আমরা গ্রেফতার করেছি বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, আদাবরের মাইন্ড এইড নামে মানসিক হাসপাতালটির কোনো স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাগজ নেই। তাদের কোনো ডাক্তার নেই। এছাড়া মানসিক হাসপাতাল চালানোর জন্য মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের লাইসেন্স দরকার সেটিও তারা আমাদেরকে দেখাতে পারেনি। এই ভুঁইফোড় হাসপাতালে সরকারি মানসিক হাসপাতালের রোগী কিভাবে গেল- এর সঙ্গে কোনো দালাল জড়িত কিনা সেটাও আমরা দেখছি। এছাড়া কি উদ্দেশ্যে তাকে সরকারি মানসিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে আমরা সেটি তদন্ত করে দেখব।

অন্যদিকে হাসপাতাল পরিচালনা কমিটির লোকজনকেও আমরা গ্রেফতার করব। হাসপাতালের মালিকও আমাদের নজরদারিতে রয়েছে। কয়েকজন রোগী আছে তারা চলে গেলে ভুঁইফোড় হাসপাতালটি আমরা বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানান হারুন।

তিনি বলেন, আদাবর ও মোহাম্মদপুর এলাকায় কিছু অ্যাম্বুলেন্স আছে যারা সরকারি হাসপাতালে ভালো চিকিৎসা থাকা সত্যেও রোগীদের এসব ভুঁইফোড় হাসপাতালে নিয়ে যায়। এর সঙ্গে সরকারি হাসপাতালের কিছু ডাক্তারও জড়িত থাকতে পারে। আমরা এসব বিষয় তদন্ত করে সকলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ