শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৮ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হামলার চেষ্টা হলে মুসলমানরা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ করবে: ধর্মমন্ত্রী ইসলাম নিয়ে ১৬ বছরের গবেষণা ব্রাজিলের নৃবিজ্ঞানীর বগুড়ায় ফিলিং স্টেশনে বিস্ফোরণে ৫ জন আহত হাফেজদের বিতর্কিত লেখকের বই উপহার ও আইনমন্ত্রীর মন্তব্যের প্রতিবাদ হেফাজতের ডেঙ্গু পরিস্থিতিতে সরকারের দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই: ইসলামী আন্দোলন সমসাময়িক কওমি মাদ্রাসা ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা: মুফতি দিলাওয়ার হোসাইনের সাক্ষাৎকার হজ ২০২৭: যাদের জন্য থাকছে না অংশ নেওয়ার সুযোগ  দানিয়াল মুহাম্মদ আম্মার ফাউন্ডেশনের সিরাত কুইজ প্রতিযোগিতা, পুরস্কার অর্ধলক্ষ টাকার বই কুরআন কি অযোগ্য, নাকি আমরা? ‘গণভোটের রায় উপেক্ষা করলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এক দফায় যাবে ১১ দল’

করোনায় ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা ২০ লাখ ছাড়ালো

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বিশ্বের তৃতীয় দেশ হিসেবে ভারতে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ২০ লাখ ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে সর্বশেষ ১০ লাখ আক্রান্ত চিহ্নিত হয়েছেন মাত্র ২০ দিনে।

এতো দ্রুত ১০ লাখ লোক বিশ্বের আর কোনো দেশে দেখা যায়নি। ২০ লাখ বা এর চেয়ে বেশি আক্রান্ত আছে আর কেবল যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রাজিলে। এই দুটি দেশেও মাত্র ২০ দিনে ১০ লাখ মানুষের আক্রান্ত হওয়ার মতো কিছু দেখা যায়নি।

এতো বেশি সংখ্যক মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেও রাজ্যভেদে ভাইরাস মোকাবেলায় ভিন্ন ভিন্ন পদক্ষেপ গৃহিত হয়েছে। ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার পরও কিছু কিছু রাজ্যে ধীরে ধীরে সব কিছু খুলে দেওয়া হচ্ছে। আবার কোনো কোনো রাজ্যে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতি কোনো কোনো অঞ্চলে নির্দিষ্ট সময়ে লকডাউন আরোপ করা হয়েছে। কোথাও আবার বিশেষ কার্যক্রমের উপর লকডাউন প্রযোজ্য বলে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ৬২ হাজার লোক আক্রান্ত হয়েছেন, এবং এর মাধ্যমেই মোট আক্রান্তের সংখ্যা দুই মিলিয়ন বা ২০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ভারতে প্রায় ৪১ হাজার লোকের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন ১৩০ কোটির বেশি মানুষের দেশে এই মৃত্যুহার খুবই কম।

এ দিকে, অভিযোগ আছে যে ভারতীয় সরকার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের সংখ্যা যথাযথভাবে প্রকাশ করছে না। এর কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বিভিন্ন অঞ্চলের রিপোর্ট এক সঙ্গে যোগ করা এবং করোনাভাইরাসেই কারো মৃত্যু হয়েছে কি না- তা নির্ধারণে ভারতের নিয়মের অস্পষ্টতাকে সামনে এনেছেন।

দুই মাসের বেশি সময় কঠোর লকডাউনে থাকার পর ভারতে সব কিছু ধীরে ধীরে খুলে দেওয়া হচ্ছে। অর্থনীতি যাতে বিপজ্জনকভাবে থমকে না যায়, তা নিশ্চিত করতেই মূলত এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত জিম এবং ফিটনেস সেন্টারের বাধা-নিষেধ তুলে নিয়েছে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ