সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
শিশুদের মতো আদর-যত্নে গাছের পরিচর্যার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  কুমিল্লা জেলার দ্বীনিয়াত মুআল্লিম জোড় সম্পন্ন কেন্দ্রীয় নূরানী তালীমুল কুরআন মাদরাসার উস্তাদ আব্দুল জলিলের ইন্তেকাল ইউরোপে তীব্র তাপপ্রবাহে এক সপ্তাহে ১০ হাজার মৃত্যু বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে পাশে থাকার আহ্বান জাতীয় ইমাম পরিষদের ‘বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা ছিল দেশের স্বার্থে, পদ-পদবি পাওয়ার জন্য নয়’ সন্ধ্যার মধ্যে ১৯ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা  মুসলিম আন্দালুসের কৃষি বিপ্লব: স্বর্ণযুগের গৌরবগাথা শনিরআখড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তার চকরিয়াতে মারহামা ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ

দারুল উলুম দেওবন্দ মাদরাসা বন্ধ থাকায় ক্রেতা শূণ্য এলাকা, লোকসানে ব্যবসায়ীরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হুসাইন মাহমুদ ।।

দ্বিতীয় পর্যায় লকডাউন চলছে ভারতে। বিশ্বে করোনা আক্রান্তের হারে দেশটির নাম ওঠে এসেছে। লকডাউন চলছে ঐতিহ্যবাহী দীনি বিদ্যাপীঠ দারুল উলুম দেওবন্দের এলাকাতেও। দেওবন্দে সপ্তাহে পাঁচদিন বাজার খোলার নির্দেশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জারি করা হয়েছে।

দারুল উলূম দেওবন্দ এবং আশেপাশের বাজারগুলি বর্তমান সময়ে খোলার নির্দেশ দিলেও দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে আছে এখানকার বিক্রেতারা।
দোকান খুলছেন কিন্তু অনেক দোকানদার আছেন যাদের কোনো ক্রেতাই নেই। তার কারণ হলো দারুল উলূম ও দারুল উলূম ওয়াক্ফসহ মহল্লার সব মাদরাসা বন্ধ থাকা।

বর্তমানে শিক্ষার্থী না থাকায় দোকানগুলি খোলা থাকলেও কাস্টমার শূণ্য। এই দোকানগুলির বেচা-কেনা নির্ভর করে একমাত্র মাদরাসার শিক্ষার্থীদের উপর। মাদরাসাগুলো বন্ধ থাকায় লুকসানে পড়তে হচ্ছে তাদের।

জরিপ অনুসারে, দারুল উলূম দেওবন্দ ও দারুল উলূম ওয়াক্ফসহ বিভিন্ন মাদ্রাসার প্রায় ২০,০০০ শিক্ষার্থী এখানকার দোকানদারদের আয়ের উৎস। আজ করোনা ভাইরাসের কারনে মাদ্রাসা বন্ধ হওয়ায় দেওবন্দে কেবলমাত্র অল্প সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত রয়েছে, এ কারণেই বর্তমানে ইসলামিক বাজার থেকে শুরু করে সব বাজার ক্রেতা শূণ্য হয়ে পড়ছে। এখানে শিক্ষার্থী না থাকলে ব্যবসাও নেই, করোনার ভাইরাসের কারণে সব মাদ্রাসার শিক্ষার্থী তাদের বাড়িতে চলে গেছে, খুব কম সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত রয়েছে এখন মাদরাসায়।

ভারতের সরকার স্কুল-কলেজগুলির জন্য এখনও কোনো গাইডলাইন জারি করেনি, তাই বিশ্বখ্যাত ইলমি মার্কাজ দারুল উলূম দেওবন্দ এবং অন্যান্য মাদ্রাসাগুলি কবে খুলতে পারবে এবং এখানকার ক্রেতারা পূর্বের ন্যায় ব্যবসায় লাভবান হতে পারবেন তা বলা মুশকিল। এই করোনা ভাইরাস কত দিন থাকবে বলা সম্ভব নয়।

দরুল উলূমের চারপাশের রিকশা, ফল এবং শাকসব্জি, চায়ের দোকান, খাবারের হোটেল, পোশাকের দোকান সক ধরণের কাজ পুরোপুরি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের উপর নির্ভর করে। এখানে যদি শিক্ষার্থী না থাকে তবে দোকনিদের কোনও আয় নেই। শত শত হিন্দু পরিবারও মাদরাসাগুলোর উপর নির্ভর করে থাকে। ব্যবসা করে।

মিল্লাত টাইমস থেকে হুমাইন মাহমুদের অনুবাদ

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ