শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬ ।। ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১১ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
শাহজালালের (রহ.) মাজারের দানবাক্স ব্যবস্থাপনায় উচ্চপর্যায়ের কমিটি বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ইসলামী আন্দোলন নেতার মৃত্যু, জানাজায় সহকর্মীদের ঢল মাছ-মুরগি থেকে সবজি, সবখানেই চড়া দাম কওমি শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গাইডলাইন ও শিক্ষা বিষয়ক মতবিনিময় অনুষ্ঠিত মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তারা পাবেন আধুনিক অস্ত্র: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  আসাদউদ্দিন ওয়াইসি ও মুসলিম রাজনীতি মক্কা-মদিনায় জায়গা কিনতে চান? তথ্যগুলো আপনার জন্য ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে হতাহতের ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক মাদরাসা শিক্ষা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ঝড় তুললেন মুসলিম বিধায়ক চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক

বগুড়া-১ ও যশোর-৬ উপনির্বাচন পেছানোর সুযোগ নেই: ইসি সচিব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: আসন্ন বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) ও যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনের উপ-নির্বাচন পেছানোর বিএনপির দাবি নাকচ করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে নির্বাচন ভবনে নিজ দফতরে ইসির সিনিয়র সচিব মুহা. আলমগীর বলেন, বিএনপি তার আবেদনে নির্বাচন পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে। কিন্তু তারা একথা খুব ভালো করেই জানেন, যে নির্বাচন পেছানোর কোনো সুযোগ নেই। কেননা, এখন নির্বাচন পেছালে সংবিধান লঙ্ঘনের দায়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মামলা করা যাবে।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে বিএনপির নির্বাচন পেছানোর দাবিটি ইসি সচিবের তুলে ধরেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, করোনার এই সময়ে আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাই কমিশনের কাছে তাদের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য আহ্বান জানিয়েছি। কমিশন যদি নির্বাচন না পেছায় তবে আমরাও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো না।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইসির সচিব বলেন, কোনো আসন শূন্য হলে তার পরবর্তীতে নব্বই দিনের মধ্যে উপ-নির্বাচন করতে হয়। দৈবদুর্বিপাকের কারণে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) আরো নব্বই দিন সময় নিতে পারে। সেই সময়ও পার হয়ে গেলে সুপ্রিম কোর্ট থেকে ব্যাখ্যা নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

আসন দু’টিতে যথাক্রমে মেয়াদ শেষ হবে ১৫ জুলাই ও ১৮ জুলাই। কোনো পক্ষ যাতে আঙ্গুল তুলতে না পারে, সেজন্য কমিশন সুপ্রিম কোর্টের কাছে যেতে চেয়েছিল। এজন্য আইন মন্ত্রণালয়ের মতামতও নেয়া হয়েছে।

তারা সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে কথা বলে জানিয়েছেন, সংবিধান অনুযায়ী মেয়াদ শেষ হওয়ার পর আর সময় বাড়ানোর সুযোগ নেই। আর সুপ্রিম কোর্টে গেলে শুনানি হবে, এছাড়াও অন্যান্য প্রক্রিয়ার জন্য সে সময়ের প্রয়োজন সেটাও হাতে নেই। তাই আইন মন্ত্রণালয়ের মতামত অনুযায়ী কমিশন ১৪ জুলাই ভোট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তিনি বলেন, এই সময়ের মধ্যে ভোট না করলে রাষ্ট্রের যে কোনো ব্যক্তি সংবিধান লঙ্ঘনের দায়ে মামলা করতে পারে। আর সংবিধান লঙ্ঘনের শাস্তি খুব মারাত্মক। মৃত্যুদণ্ডও হতে পারে। কাজেই এ দায়িত্ব আইন মন্ত্রণালয়ও নেবে না, কমিশনও নেবে, কেউ নেবে না।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ