সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে পাশে থাকার আহ্বান জাতীয় ইমাম পরিষদের ‘বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা ছিল দেশের স্বার্থে, পদ-পদবি পাওয়ার জন্য নয়’ সন্ধ্যার মধ্যে ১৯ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা  মুসলিম আন্দালুসের কৃষি বিপ্লব: স্বর্ণযুগের গৌরবগাথা শনিরআখড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তার চকরিয়াতে মারহামা ফাউন্ডেশনের ত্রাণ বিতরণ 'ইসলামের সামনে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ, জ্ঞানভিত্তিক দাওয়াতের বিকল্প নেই' বিকেএম নেতা মাওলানা ইউসুফ আশরাফের বাইপাস অস্ত্রোপচার, দোয়ার আবেদন মধ্যপ্রাচ্যের ৩ দেশের মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের হামলা বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম

মুসলিম ফুটবলারের চরিত্রে মুগ্ধ বিশ্ব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

বেলায়েত হুসাইন: চেলসির ফরাসি মিডফিল্ডার এনগোলো কান্ত। বরাবরই একজন ভদ্রলোক হিসেবে সবাই তাকে জানে। খ্যাতিমান ফুটবলার হয়েও নিরহংকারী জীবন-যাপনে প্রতিনিয়ত উদাহরণ সৃষ্টি করে চলেছেন তিনি।

এবার তার আরেক গুণের ব্যাপারে পরিচিত হল বিশ্ব- এনগোলো কান্ত যে, একনিষ্ঠ একজন বন্ধুও সেই কথা জানালেন তার একসময়ের সতীর্থ বর্তমানে দ্বিতীয় বিভাগের দল উইগান অ্যাথলেটিকের হয়ে খেলা ফরাসি ডিফেন্ডার সেড্রিক কিপরে।

তিনি জানিয়েছেন, একবার ঝামেলায় পড়লে নিজের বাসায় তাকে থাকতে দিয়েছিলেন কান্তে।

দু’জন তখন লেস্টার সিটিতে খেলতেন। পিএসজি থেকে কিপরে যখন লেস্টারে যোগ দেন তার এক বছর পর ফরাসি ক্লাব কাঁ থেকে ইংল্যান্ডে আসেন কান্তে। তখন নিজের অ্যাপার্টমেন্টে কিছু সমস্যার কারণে বেশ যন্ত্রণায় ছিলেন কিপরে ও তার ভাই। কান্তেই তখন স্বপ্রণোদিত হয়ে এক মাস নিজের অ্যাপার্টমেন্টে থাকতে দেন এই দুজনকে।

কিপরে বলেন, 'লেস্টারে যখন খেলতাম, তখন কান্তের অ্যাপার্টমেন্টে আমি ও আমার ভাই এক মাস থেকেছি। সবাই এমন মহানুভবতা দেখাতে পারে না। কিন্তু কান্তে পেরেছিল। ওর প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। আমি গর্বিত যে কান্তের মতো কারও সঙ্গে আমার এ জীবনে দেখা হয়েছে। ওর চেয়ে ভদ্র কাউকে আমি চিনি না।'

এর আগে কান্তের ব্যাপারে শোনা গেছে, স্টারবাকস বা আমাজনের মতো বৈশ্বিক ব্র্যান্ডের চেয়েও বেশি কর দিয়েছেন তিনি। কান্তে এতটাই লাজুক স্বভাবের যে, বিশ্বকাপ জেতার পরও ট্রফি নিয়ে উদযাপন করতে পারেননি!

পরে সতীর্থ স্টিভেন এনজনজি জোর করে তার হাতে ট্রফি ধরিয়ে দিয়ে উদযাপন করতে বলেন। সতীর্থের ঘুমের যাতে ব্যাঘাত না ঘটে, এ জন্য কান্তে ফজরের নামাজও নিঃশব্দে পড়েন বলে জানিয়েছিলেন তার সাবেক ক্লাবের এক সতীর্থ। নিয়মিত সাধারণ মানুষদের সঙ্গে মসজিদে নামজ পড়তে যাওয়া, হুট করে কোনো এক রেস্তোঁরায় গিয়ে ভক্তকে চমকে দেওয়া- এসব তো আছেই।

এককথায়, চেলসির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিশ্বকাপজয়ী এ মিডফিল্ডার সব মুসলিম খেলোয়াড়ের আদর্শ হতে পারে।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ