রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৯ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :
বাঁশখালীর বন্যার্তদের পাশে চুয়েট শিক্ষার্থীরা কওমি মাদরাসায় শারীরিক শাস্তি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ: আল-হাইআতুল উলয়া আল্লামা শাহ ইলিয়াস সিদ্দিকী জমিরী গুরুতর অসুস্থ, দোয়ার আবেদন কুমিল্লায় স্কুলছাত্র অপ্রতিম হত্যায় ছাত্র জমিয়তের নিন্দা, দ্রুত বিচারের দাবি ছাত্র মজলিসের নতুন সভাপতি জাকারিয়া, সেক্রেটারি ইসমাঈল অপ্রতিমের খুনিদের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে: জমিয়ত বিশ্বজয়ী হাফেজদের দেওয়া পুরস্কার নিয়ে কেন প্রতিবাদে সরব ইসলামি দলগুলো লালবাগ জোনে হেফাজতে ইসলামের পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত ফেনীর প্রবীণ আলেম আল্লামা সাইফুদ্দীন কাসেমী অসুস্থ, দোয়া কামনা মুক্তির স্বাদ

গ্রিসের রাজধানী এথেন্সের সব মসজিদ ধ্বংস করা হয়েছে: এরদোগান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: এক শতাব্দী আগে আমরা যেসব মসজিদ ও স্থাপনা রেখে এসেছিলাম সেগুলোকে অল্প সময়ের মধ্যে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। বলেছেন রজব তাইয়্যেব এরদোগান।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান আরো বলেছেন, গ্রিসের রাজধানী এথেন্সের সব মসজিদ ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। একটি মসজিদও অবশিষ্ট নেই। তিনি রোববার রাতে ইস্তাম্বুলে একটি হাসপাতাল উদ্বোধনের সময় এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, এক শতাব্দী আগে আমরা যেসব মসজিদ ও স্থাপনা রেখে এসেছিলাম সেগুলোকে অল্প সময়ের মধ্যে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এরদোগান বলেন, অতীতে মুসলমানেরা কখনোই দেশ দখল করার চেষ্টা করেনি বরং মুসলমানেরা মন জয় করেছে। সম্প্রতি ইস্তাম্বুলের আয়াসোফিয়া মসজিদে কোরআন পাঠের সমালোচনা করে গ্রিস সরকার বক্তব্য দেওয়ার পর এরদোগান এসব কথা বললেন।

এরদোগান গ্রিকদের মনে করিয়ে দেন তারা মুসলমানদের মসজিদগুলোকে কীভাবে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছিল, কিন্তু মুসলমানেরা তা করেনি।

খ্রিস্টিয় চতুর্থ শতকে খ্রিস্টান সম্রাট দ্বিতীয় কনস্টান্টিন প্রথম আয়াসোফিয়া মসজিদের স্থাপনাটি নির্মাণ করেন। ৩৬০ খ্রিস্টাব্দের ১‌৫ ফেব্রুয়ারি ‘হাজিয়া সোফিয়া’ গির্জা নামে এই স্থাপনা খ্রিস্টানদের উপাসনার জন্য খুলে দেয়া হয়। ৪০৪ খ্রিস্টাব্দে কনস্টান্টিনোপলে সৃষ্ট দাঙ্গায় এই গির্জার একাংশ ভস্মীভূত হয়। পরবর্তীতে খ্রিস্টীয় ষষ্ঠ শতাব্দীতে এটিকে পুনর্নির্মাণ করা হয়। এরপর দীর্ঘ প্রায় এক হাজার বছর এটি খ্রিস্টানদের উপাসনালয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

খ্রিস্টীয় পঞ্চদশ শতাব্দীতে তৎকালীন বাইজান্টাইন সম্রাটের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হয়ে কনস্টান্টিনোপলের নিয়ন্ত্রণ নেন দ্বিতীয় মুহাম্মাদ খ্যাত ওসমানীয় শাসক সুলতান মোহাম্মাদ ফাতেহ। তিনি কনস্টান্টিনোপলের নাম পরিবর্তন করে ইস্তাম্বুল রাখেন এবং ‘হাজিয়া সোফিয়া’ গির্জাকে ‘আয়া সোফিয়া’ মসজিদে রূপান্তর করেন।

১৯৩৫ সালে তৎকালীন তুর্কি প্রেসিডেন্ট কামাল আতাতুর্ক মসজিদটিকে যাদুঘরে রূপান্তর করেন। এরপর থেকে এখানে নামাজ আদায় করা নিষিদ্ধ ছিল। ২০০৬ সালে তুর্কি সরকার মুসলমানদের নামাজ আদায় এবং খ্রিস্টানদের উপাসনার জন্য যাদুঘরের একটি অংশ বরাদ্দ দিয়েছেন।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ