সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

মুসলিম জাহানের অনন্য ব্যক্তিত্ব সুফিসম্রাট ইমাম গাজালি (রহ.)

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি নূর মুহাম্মদ রাহমানী।।

একাদশ শতকে মুসলিম সমাজে বিভিন্ন বাদ-মতবাদের এক অস্থিরতার সৃষ্টি হয়। সর্বত্র গ্রিক দর্শন ও মুতাজিলা সম্প্রদায় ঘাঁটি গেড়ে বসে। এই দুই দর্শনের প্রভাবে আপামর মুসলিম সমাজ বিভক্ত বিক্ষিপ্ত হয়ে দ্বীন ধর্মের কোমল বিশ্বাস থেকে সরে যেতে শুরু করে।

মুসলিম মিল্লাতের এই ক্রান্তিকালে হুজ্জাতুল ইসলাম উপাধি ধারণ করে মুসলিম দর্শন তথা বিশ্ব দর্শনের প্রবাদপুরুষ হিসেবে এ ধরায় আগমন করেন বিরল প্রতিভার অধিকারী, নানাবিধ গুণাবলীর অপূর্ব সমাহার আবু হামেদ মুহাম্মদ ইবনে মুহাম্মদ গাজালি (রহ.)। তিনি দেশ, জাতি ও ধর্ম সকল বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন এবং মহান সংস্কারকের ভূমিকা পালন করেন।

খোরাসানের একটি জিলার নাম তুস। তুসের রয়েছে প্রসিদ্ধ দুটি শহর। একটি তেহরান। আর অপরটি তুকান। ইমাম গাজালি (রহ.) ৪৫০ হিজরিতে তাহেরান শহরে জন্মগ্রহণ করেন। গাজল অর্থ সুতা। বাবা মুহাম্মদ ছিলেন তথাকার একজন বড় সুতা ব্যবসায়ী। নামকরণের এই সামঞ্জস্য তার বংশকে গাজালি আখ্যায় আখ্যায়িত করেছে। কারও কারও মতে তিনি ছোট বেলায় হরিণের মতো চোখবিশিষ্ট অপরূপ সুদর্শন ছিলেন, আর গাজল অর্থ হরিণ, তাই বাবা তাকে শৈশবে আদর করে গাজালি বলে ডাকতেন। উভয় বর্ণনানুসারে তাকে গাজ্জালিও বলা হয়। আবার গাজালিও বলা হয়।

মাতৃভূমিতেই তাঁর শিক্ষার হাতেখড়ি। তাই গ্রামেই তিনি ফিকহ শাস্ত্রের প্রাথমিক জ্ঞান লাভ করেন প্রখ্যাত আলেম ইমাম রাদাখানি নিকট। ইসলামের মৌলিক জ্ঞান ও ইসলামি আইনে তিনি অতি অল্প বয়সেই গভীর জ্ঞান লাভ করেন। শাফেয়ি মাজহাবের প্রখ্যাত আলেম আল জুওয়াইনি ছিলেন তাঁর অন্যতম শিক্ষক।

প্রাথমিক শিক্ষা শেষে তিনি জুরজান গমন করেন। মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা গ্রহণে আত্মনিয়োগ করেন ইমাম আবু নছর ইসমাঈল (রহ.)-এর নিকট। এ ছাড়াও তৎকালীন যুগের শ্রেষ্ঠ আলেমগণ ছিলেন তাঁর শিক্ষক। তন্মধ্যে সে সময়ের শ্রেষ্ঠতম ধর্মতত্ত¡বিদ আলেম ইমামুল হারামাইন আল জুয়াইনি, আল্লামা আবু মুহাম্মদ যোবায়নি, আল্লামা আবু হামেদ আসকারায়েনি প্রমুখ আলেম অন্যতম।

ছোট বয়সেই তিনি উস্তাদের তাকরির (পাঠদান) শুনে শুনে ইলমি বিরাট তালিকাত লিখে ফেলেছিলেন। সে সময় ইসলামি শিক্ষার প্রাণকেন্দ্র ছিল বাগদাদ ও নিশাপুর। বাগদাদে ইলমের সুধা পান করাতেন আল্লামা আবু ইসহাক সিরাজী। নিশাপুরে জ্ঞাà¦