বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ।। ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ১২ রবিউস সানি ১৪৪৮

শিরোনাম :

গবেষণা লাইব্রেরিতে না রেখে জনকল্যাণে কাজে লাগানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার গুরুত্ব তুলে ধরে রাষ্ট্রপতি ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মুহা. আব্দুল হামিদ বলেছেন, উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। একটি সফল গবেষণার মাধ্যমে উদ্ভাবিত জ্ঞান মানবজাতির অশেষ কল্যাণ বয়ে আনতে পাবে। চিকিৎসাসহ জীবনমান সহজ করতে পারে। এমনকি বিশ্বরাজনীতি, ভূ-অর্থনীতি, বিশ্ববাণিজ্য, আঞ্চলিক বা দেশীয় আর্থ-সামাজিক পরিবর্তন সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

রোববার দুপুরে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ষষ্ঠ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে সভাপতির ভাষণে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, গবেষণা যাতে আন্তর্জাতিক মানের হয় এবং জীবনমুখী ও মানবকল্যাণে নিবেদিত হয় সেদিকে সবিশেষ নজর দিতে হবে। গবেষণার ফল যাতে লাইব্রেরিতে বন্দি না থেকে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজে লাগে তা নিশ্চিত করতে হবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে দেশ ও জাতির আশা-আকাঙ্ক্ষার কেন্দ্রস্থল। জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি মূল্যবোধ লালন, নীতি-নৈতিকতা, দেশপ্রেম উৎসারিত করার শ্রেষ্ঠ ক্ষেত্র।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ হচ্ছে যুক্তি ও সত্যের অনুসন্ধান, নতুন জ্ঞান সৃজন এবং মানবকল্যাণে তার ব্যবহার প্রযুক্তির উদ্ভাবনের মাধ্যমে মানুষের সমস্যা নিরসনসহ দেশ ও জাতি নির্বিশেষে মানবজাতির ভবিষ্যৎ পথের নির্দেশনা। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্য ও অর্জন জাতিকে যেমন অনুপ্রাণিত করে, জাতীয় জীবনে উদ্যম ও গতিশীলতা সৃষ্টি করে, তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অপ্রত্যাশিত সংবাদ ও ঘটনা জাতির মননে এবং সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ শিক্ষার পরিবেশ বজায় রেখে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। জ্ঞান-বিজ্ঞানের নবতর শাখার বিকাশ ঘটিয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে বলে জানান রাষ্ট্রপতি।

আবদুল হামিদ জানান, আদর্শ শিক্ষক-গবেষক জাতির মূল্যবান সম্পদ, অনুসরণীয় আদর্শ। শিক্ষক-গবেষকদের জ্ঞান, দক্ষতা ও প্রজ্ঞা ভবিষ্যৎ জাতি গঠনের অন্যতম নিয়ামক শক্তি। তাই শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রয়োজন দক্ষ, অভিজ্ঞ ও জ্ঞানের প্রতি গভীর অনুরাগী শিক্ষকমণ্ডলী, যারা নিজেরা নিরন্তর সর্বশেষ জ্ঞানচর্চায় রত