সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের নির্দেশ শিশুদের মতো আদর-যত্নে গাছের পরিচর্যার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  কুমিল্লা জেলার দ্বীনিয়াত মুআল্লিম জোড় সম্পন্ন কেন্দ্রীয় নূরানী তালীমুল কুরআন মাদরাসার উস্তাদ আব্দুল জলিলের ইন্তেকাল ইউরোপে তীব্র তাপপ্রবাহে এক সপ্তাহে ১০ হাজার মৃত্যু বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে পাশে থাকার আহ্বান জাতীয় ইমাম পরিষদের ‘বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা ছিল দেশের স্বার্থে, পদ-পদবি পাওয়ার জন্য নয়’ সন্ধ্যার মধ্যে ১৯ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা  মুসলিম আন্দালুসের কৃষি বিপ্লব: স্বর্ণযুগের গৌরবগাথা শনিরআখড়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তার

চলে গেলেন বিরল প্রতিভার অধিকারী এক আলেম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

জহির উদ্দিন বাবর ।।

মুফতী মুহাম্মদ ইদরীস কাসেমী। দারুল উলূম দেওবন্দের মুঈনে মুফতী হিসেবে কর্মরত ছিলেন দীর্ঘদিন। তাঁর সবচেয়ে বড় অবদান সহিহ বুখারির বিখ্যাত ব্যাখ্যাগ্রন্থ ‘কাশফুল বারী শারহু সহীহিল বুখারী’ এর রচয়িতা তিনি।

প্রায় ১৭ বছরে রচিত উর্দু ভাষায় ৩২ খণ্ডের বিশাল এই ব্যাখ্যাগ্রন্থটির কারণে তিনি উপমহাদেশে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। পরে সেই ব্যাখ্যাগ্রন্থটি নিজেই বাংলা ভাষায় রূপান্তর করেন।

একটি বিশাল গ্রন্থের মূল লেখক, অনুবাদক, প্রকাশক, বিক্রেতা সবই তিনি ছিলেন। বলা যায়, তাঁর গোটা জীবন দিয়েছেন এর পেছনে।

আমি যখন দারুর রাশাদে ছিলাম প্রায়ই তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ হতো। তাঁর বাড়ি নোয়াখালীতে, থাকতেন মিরপুরে। অত্যন্ত সহজ-সরল ছিলেন। মুখে সবসময় হাসি লেগেই থাকত।

তাঁকে দেখে বোঝা যেত না, এতো বিশাল ইলমি খেদমত তিনি আঞ্জাম দিয়েছেন। দেখা-সাক্ষাতে সবসময় বুখারীর ব্যাখ্যাগ্রন্থ নিয়েই আলোচনা করতেন। প্রতিটি খণ্ড ছাপা এবং বাজারজাত করার পেছনে তাঁকে প্রচুর শ্রম দিতে হয়েছে।

এমন বিরল প্রতিভার আলেম বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। আল্লাহ তাঁর খেদমতগুলো কবুল করে নিন। তাঁকে জান্নাতুল ফেরদাউস নসিব করুন। আমিন।

লেখক : সভাপতি, বাংলাদেশ  ইসলামী লেখক ফোরাম । 

(লেখকের ফেসবুক টাইমলাইন থেকে নেওয়া )

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ