শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

প্রবাসে মারা গেলে ৩ লাখ টাকা অনুদান পাবে পরিবার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বিভিন্ন দেশে কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় কর্মস্থলেই প্রাণ হারান প্রবাসী বাংলাদেশিরা। তাদের মরদেহ দেশে আনা নিয়ে নানা সমস্যায় পড়তে হয় পরিবারের সদস্যদের।

তবে সরকারিভাবেই এসব মরদেহ দেশে আনার ব্যবস্থা রাখা আছে। মরদেহ পরিবহন ও দাফনের জন্য দেয়া হয় ৩৫ হাজার টাকা। এছাড়া মারা যাওয়া কর্মীর পরিবারকে ৩ লাখ টাকা অনুদান দেয় সরকার।

বিদেশের মাটিতে মৃত্যুবরণকারী বাংলাদেশি কর্মীর মরদেহ তার পরিবারের মতামত সাপেক্ষে দেশে আনার উদ্যোগ নেয় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড।

ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের হিসাব অনুযায়ী, ২০১৮ সালে মোট ৩ হাজার ৭৯৩ জন বাংলাদেশি কর্মীর মরদেহ দেশে আনা হয়েছে। এরমধ্যে বৈধ কর্মীর সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৬৭৬ জন। আর অবৈধভাবে কর্মরত কর্মীর সংখ্যা ১১৭ জন।

এর মধ্যে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে এসেছে ৩ হাজার ৩৫৩ জনের মরদেহ। চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে ৩৭৪ ও সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হয়ে এসেছে ৬৬ জনের মরদেহ।

এছাড়া, ২০১৭ সালে ৩ হাজার ৩৮৭জন, ২০১৬ সালে ৩ হাজার ৪৮১ এবং ২০১৫ সালে ২ হাজার ৮৩১ জনের মরদেশ দেশে আনা হয়।

প্রবাসী এসব কর্মীর বেশিরভাগেরই বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে। অধিকাংশ মরদেহ আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে। এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মরদেহ এসেছে সৌদি আরব থেকে। তালিকায় সৌদি আরবের পরই রয়েছে মালয়েশিয়া।

জানা গেছে, বিদেশে অবস্থানরত অবস্থায় কেউ মারা গেলে মরদেহ দাফনের ব্যাপারে পরিবারের মতামত নেয়া হয়। পরিবার যদি সংশ্লিষ্ট দেশে দাফনের ইচ্ছা প্রকাশ করেন তাহলে সেদেশেই তাকে দাফনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। আর যদি পরিবার মরদেহ দেশে দাফনের জন্য মতামত দেয় সেক্ষেত্রে নিয়োগকর্তা বা কোম্পানি মরদেহ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করে থাকেন।

যদি কারো মরদেহ দেশে পাঠাতে নিয়োগকর্তা খরচ বহনে অপারগতা প্রকাশ করে বা মৃতের পরিবার দেশে আনার খরচ বহনে অক্ষম হয় তাহলে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ তহবিলের অর্থায়নে মরদেহ দেশে আনা হয়।

এছাড়া অবৈধ ভাবে যাওয়া কর্মীদের মরদেহও দূতাবাসের মাধ্যমে দেশে আনার ব্যবস্থা করে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড। প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের মাধ্যমে তাৎক্ষণিকভাবে মরদেহ পরিবহন ও দাফনের খরচ বহনের জন্য ৩৫ হাজার টাকার চেক দেয় ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড।

মরদেহ হস্তান্তরের পরই ৩ লাখ টাকা অনুদান দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। যারা ছুটিতে এসে দেশে মৃত্যুবরণ করেন তাদের পরিবারকেও এ অনুদান দেয়া হয়। তবে যারা অবৈধভাবে বিদেশে যান বা বিদেশে গিয়ে অবৈধ হয়ে যান তাদের পরিবারকে এ অনুদান দেয়া হয় না।

জানা গেছে, বর্তমানে বিশ্বের ১৬০টি দেশে এক কোটিরও বেশি বাংলাদেশি কর্মী কর্মরত আছেন। দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখছেন এসব প্রবাসীরা।

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ