শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ৩১ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের পরিবারের পাশে এনসিপি ইসলামি শ্রমনীতি ও শ্রমিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে: গাজী আতাউর রহমান ৩০ পেরিয়েছেন? সুস্থ থাকতে গড়ে তুলুন ৭ অভ্যাস জমজমের বরকতে দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাওয়ার এক বিস্ময়কর অভিজ্ঞতা দেশমাতৃকা উলামায়ে কেরামের নির্দেশনার অপেক্ষায় আছে: মুফতি আবুল হাসান এমপি দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হাফেজদের মধ্যে ব্রেইল কুরআন ও সাদাছড়ি বিতরণ দেশে ফিরেছেন সৌদি আরবে আটকে পড়া ৫০ ওমরাহযাত্রী মাওলানা নূরুল হক রহ.-এর কবর জিয়ারত করলেন খেলাফত মজলিস আমির ঢাবির গবেষকদের ‘স্মার্ট ফাঁদে’ শনাক্ত হবে এডিস মশার বিস্তার দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

‘ওয়ায়েজদের করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালা করবে ইত্তেফাকুল ওয়ায়েজীন বাংলাদেশ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: ‘ইত্তেফাকুল ওয়ায়েজীন বাংলাদেশ’ দিনব্যাপী রাজধানীর বিএমএ মিলনায়তনে ‘ওয়ায়েজ, খতিব ও দায়ী ওলামায়ে কেরামের করণীয়’ শীর্ষক এক কর্মশালার আয়োজন করেছে।

আগামী শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ‘ইত্তেফাকুল ওয়ায়েজীন বাংলাদেশ’ এ কর্মশালা বাস্তবায়ন করবে।

সংগঠনের উপদেষ্টা শায়খুল হাদিস মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক, পীরে কামেল মাওলানা খালিদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবি ও মুফাসসিরে কোরআন মাওলানা হাসান জামিল স্বাক্ষরিত প্রচারপত্রে বলা হয়েছে, ‘নিঃসন্দেহে ওয়াজ-নসিহত দ্বীনি দাওয়াত ও তালিমের একটি শক্তিশালী মাধ্যম।

আল্লাহর মেহেরবানী, বাংলাদেশে সারাবছর ব্যাপকহারে ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। মাহফিলগুলোর মাধ্যমে দেশব্যাপী ইসলামি পরিবেশ বিরাজমান থাকে। নানা ধরনের ইসলাম বিরোধী কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হয়। মানুষ দ্বীনের পথে পরিচালিত হয়। বিপুল পরিমাণ নবীণ ও প্রবীণ ওলামায়ে কেরাম এ ময়দানে খেদমত আঞ্জাম দিয়ে থাকেন।

কিন্তু ধীরে ধীরে এ ময়দানকে নিয়ে বাতিলপন্থীরা ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে। দ্বীনের এই মহান ক্ষেত্রটিকে সংকুচিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। এক্ষেত্রে আমাদের সরলমনা অনেক ভাইয়ের কিছু কিছু অপরিণামদর্শী কার্যকলাপ ষড়যন্ত্রের যাচ্ছে ষড়যন্ত্রকারীদের হাতে রসদ জোগাচ্ছে।’

সংগঠনের উপদেষ্টা শায়খুল হাদিস মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হক বলেন, এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, ‘দাওয়াত ও নসিহতের লক্ষ্যে যারা মাঠে-ময়দানে বক্তব্য দিয়ে থাকেন, তাদেরকে সহযোগিতা করা; তাদের সামনে ওয়াজ-নসিহত ও দাওয়াতের উদ্দেশ্য এবং কর্মপন্থা বিষয়ে দিক-নির্দেশনা দেওয়া।

সেই সঙ্গে এই ময়দানে কর্মরতদের মধ্যে সমন্বয় সাধন ও তাদেরকে সংগঠিত করে বিভিন্ন প্রতিকূলতার মোকাবিলা করা ও জবাবদিহিতার পরিবেশ সৃষ্টি করা। এটা কোনো সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শনী কিংবা শোডাউন নয়, এটি প্রশিক্ষণমূলক একটি কর্মসূচি।’

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ