সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
মুহুরী নদীর পানি দ্রুত বাড়ছে, আতঙ্কে তীরবর্তী মানুষ  বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল পাঁচ বছরে মদিনা জিয়ারত করলেন সাড়ে ১২ কোটি ওমরাহ যাত্রী বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে চট্টগ্রামে গেলেন আমিরে মজলিস ইসলামাবাদে শীর্ষ আলেমদের সম্মেলনে মুসলিম ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২০ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের নির্দেশ শিশুদের মতো আদর-যত্নে গাছের পরিচর্যার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  কুমিল্লা জেলার দ্বীনিয়াত মুআল্লিম জোড় সম্পন্ন কেন্দ্রীয় নূরানী তালীমুল কুরআন মাদরাসার উস্তাদ আব্দুল জলিলের ইন্তেকাল

প্রথম বছরেই ফাতেমাতুয যাহরা রা. মহিলা মাদরাসার অসাধারণ সাফল্য

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মোস্তফা ওয়াদুদ

প্রতিষ্ঠার বয়স বেশিদিন হয়নি। মাত্র দু'বছর হলো জন্ম নিয়েছে ফাতেমাতুয যাহরা রা. মহিলা মাদরাসা, রামপুরা, ঢাকা। কিন্তু এ অল্প সময়েই মাদরাসাটি ঈর্ষণীয় সাফল্য লাভ করেছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বেফাকের সিরিয়ালে রয়েছে মাদরাসাটি।

মাদরাসার মুহতামিম ও শায়খুল হাদীস মুফতি মাহমুদ জাকির মাদরাসা প্রতিষ্ঠার গল্প শোনাতে গিয়ে বললেন, আমি পূর্বে রামপুরা জাতীয় মহিলা মাদরাসায় ছিলাম। সেখানে অনেক বছর শিক্ষকতার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে প্রতিষ্ঠা করি স্বপ্নের প্রতিষ্ঠান ফাতেমাতুয যাহরা রা. মাদরাসা।

মাদরাসার মুহতামিম মুফতি মাহমুদ জাকির মাদরাসার উন্নতি ও অগ্রগতির বর্ণনা দিয়ে আরো বলেন, প্রতিষ্ঠাকালীন থেকে মাদরাসাটি সবার নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছে। প্রথম বছরেই মেশকাতে সারাদেশে মেধা তালিকা লাভ করে। এবছরই দাওরায়ে হাদীস খোলা হয়।

তিনি বলেন, এবছর আমাদের মাত্র ১৫ জন ছাত্রী হাইয়ার পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সারাদেশে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে। মেধা তালিকায় দ্বিতীয় স্থান অর্জনকারী ছাত্রীর নাম আয়েশা সিদ্দিকা হুমায়রা। গাজীপুরে বেড়ে উঠা এ শিক্ষার্থীর গ্রামের বাড়ি বরিশাল বলে জানান তিনি। আয়েশা মেশকাত থেকে এখানে পড়ছে। মেশকাতের বেফাক পরীক্ষায়ও মুমতাজ মার্ক পেয়েছিলো।

মাদরাসাটি বর্তমানে অত্যন্ত সুনামের সাথে পরিচালিত হচ্ছে। গতবছরও এখানের দুইজন শিক্ষার্থী মেধা তালিকা লাভ করেছে। চলতি বছর এ মাদরাসা থেকে দাওরায় মেধা তালিকায় দ্বিতীয় হওয়া ছাড়াও সারাদেশে মেশকাতে ৮ম, শরহে বেকায়া ৭ম ও নাহবেমীর জামাতে ২৪তম, ৩৬তম, ৬৮তম ও ৭০তম স্থান লাভ করেছে। মাদরাসায় বর্তমানে ৪২০ জন ছাত্রী রয়েছে। এর মাঝে আবাসিক শিক্ষার্থী রয়েছে ২০০ ও অনাবাসিক শিক্ষার্থী ২২০ রয়েছে।

মাদরাসার বিশেষ বৈশিষ্ট হলো, এখানের সকল শিক্ষিকাগণই বোর্ডে স্টার্ণধারী। মাদরাসায় মোট ১৮ জন মহিলা শিক্ষিকা রয়েছেন। আর শায়খুল হাদীস হিসেবে মাওলানা ইয়াহইয়া মাহমুদ ও মাওলানা আব্দুল আখিরসহ মোট ৬ জন পুরুষ শিক্ষক রয়েছেন। মাওলানা ইয়াহইয়া মাহমুদ মাদরাসার মুরুব্বিও।

এছাড়া এখানের পড়াশুনার মান খুবই ভালো। কোনো শিক্ষিকাদেরই ক্লাস মিস করার সুযোগ নেই। সারাক্ষণ ছাত্রীদের সাথে শিক্ষিকাদেরও নেগরানীতে রাখা হয় বলে জানান মাদরাসার মুহতামিম মাহমুদ জাকির।

-এএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ