মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

যে কারণে ওসামা বিন লাদেনের লাশ সাগরে দাফন করা হয়

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রকিব মুহাম্মদ: আল-কায়েদার প্রধান ওসামা বিন লাদেনকে হত্যা করার পর তাঁর লাশ কী করা হয়েছে — সেই রহস্য আজও অজানা। বিশ্ববাসীর একটা বড় অংশ এ নিয়ে সংশয়ে আছে। তাদের প্রশ্ন, লাদেনকে হত্যা করলে লাশ কোথায়? মৃতদেহের ছবিও বা দেখানো হলো না কেন?

লাদেনকে হত্যার কিছুক্ষণ পরই মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে কয়েকটি টিভি চ্যানেল জানায়, লাদেনের লাশ সাগরে সমাহিত করা হয়েছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে তারা জানায়, যথাযোগ্য মর্যাদায় ইসলামি রীতি মেনে লাদেনের লাশ আরব সাগরে সমাহিত করা হয়েছে। লাশের ডিএনএ পরীক্ষাও করা হয়েছে।

তাঁরা বলেন, ইসলামি রীতি অনুযায়ী মৃত্যুর পর যত দ্রুত সম্ভব দাফন সম্পন্ন করা প্রয়োজন। এ জন্য দেরি না করে লাশ দাফনের ব্যবস্থা করা হয়। মৃত্যুর প্রায় ১২ ঘণ্টার মধ্যে লাশ উত্তর আরব সাগরে দাফন করা হয়।

মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, লাদেনকে হত্যার পর আরব সাগরে জঙ্গি বিমানবাহী মার্কিন রণতরী ইউএসএস কার্ল ভিনসনে। সেখানে লাশ একটি সাদা কাপড়ে মুড়িয়ে একটি ভারী ব্যাগের মধ্যে ভরে ফেলা হয়। পরে লাশ একটি পাটাতনে রেখে দাফনের জন্য ধর্মীয় সব আচার-অনুষ্ঠান পালন করা হয়। সেনাবাহিনীরই এক কর্মকর্তা দোয়া-দরুদ পড়েন। পরে তা আরবিতে অনুবাদ করে পড়েন এক আরবিভাষী ব্যক্তি। প্রায় ৫০ মিনিটের আনুষ্ঠানিকতা শেষে লাশ সাগরে নামিয়ে দেওয়া হয়।

কেন সাগরে তাঁর লাশ দাফন করা হয়— সেই প্রশ্নও তুলেছেন অনেকে। লাশ সাগরে ফেলার প্রয়োজন হলো কেন, সে প্রশ্নও তুলছেন কেউ কেউ। তাঁরা বলছেন, লাদেনের পরিবারের কাউকে হয়তো পাওয়া যেত না লাশ নেওয়ার জন্য। কিন্তু লাদেনের কোনো না কোনো সমর্থককে নিশ্চয়ই পাওয়া যেত, যাদের হাতে তুলে দিলে লাশ সঠিকভাবে দাফন করা হতো।

এ সম্পর্কে প্রিন্স তুর্কি আল ফয়সাল একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের "الذاكرة السياسية" নামক অনুষ্ঠানে বলেন, যদি আল কায়েদার বানীকে জমিনের কোথাও দাফন করা হতো, তাহলে সেই স্থান মাজারে পরিণত  হয়ে যেত। এ কারণেই বিন লাদেনকে সমুদ্রে দাফন করা হয়।

সূত্র: আল আরাবিয়া ডটনেট

আরএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ