শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
হাজিদের সেবায় সুনাম কুড়াচ্ছে আল-মিনহাজ হজ ট্রাভেলস পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা আবেগ নয়, বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিন ১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে? বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী

পথ শিশুদের শিক্ষার জন্য কাজ করছে 'প্রথম অক্ষর'

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

তামিম আহমেদ
আওয়ার ইসলাম

রাজধানীর শাহবাগের একটি ভ্রাম্যমান স্কুল দিয়ে ২০১৬ সালের ৫ এপ্রিল ‘প্রথম অক্ষর ফাউন্ডেশন’ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে দুটি ভ্রাম্যমান স্কুলসহ মোট তিনটি স্কুল পরিচালিত হয় এই সংগঠনের ব্যানারে।

ঢাকার শাহবাগে, আর নারায়নগঞ্জ চাষারায় ভ্রাম্যমান স্কুল ও খিলগাঁওয়ের নেওয়াজবাগে স্থায়ী একটি স্কুল নিয়ে নানা প্রতিকুলতার মধ্যেই প্রথম অক্ষরের কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।

এসব স্কুলে পথশিশু ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুরায় শিক্ষা পেয়ে থাকে। আপাতত পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে এখানে।  শিক্ষার্থীদের শিক্ষার পাশাপাশি এক বেলা খাবারও দেয়া হয় এখানে।

খিলগাঁওয়ে নেওয়াজবাগের স্কুলটি ২০১৭ সালের ৫ জুন থেকে শুরু করে প্রথম অক্ষর। এখানে পাঁচজন শিক্ষক তাদের নিরলস শ্রম দিয়ে প্রায় ১০০ জন পথশিশুদের আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার কাজ করে যাচ্ছেন।

এ ফাউন্ডেশনটি ডা. ইমন চৌধুরী ও ইঞ্জিনিয়ার নুসরাত জাহান লিন্ডা দুজনে মিলে প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এদের চল্লিশ জন স্বেবচ্ছাসেবক আছে। সমাজের কিছু জনদরদী লোক তাদের সাহায্য করে যাচ্ছেন।

প্রথম অক্ষরের মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার নুসরাত জাহান লিন্ডা বলেন, আমরা আপাতত পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুলের কার্যক্রম শুরু করেছি, পরে কোন শিক্ষার্থী যদি এর বেশি পড়ালেখা করতে আগ্রহী হয় তবে প্রথম অক্ষর তাকে পড়তে সহযোগিতা করবে।

তিনি বলেন, আমাদের সরকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের দেশকে উন্নয়নশীল দেশ হিসাবে গড়ে তোলার যে লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছেন, তার মধ্যে প্রধানতম কাজ করছেন দারিদ্রমোচন। আর তার জন্য প্রথম কাজ হচ্ছে শিক্ষা, তাই আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেখানো পথেই হাঁটার চেষ্টা করছি।

তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রথম কাজ শিক্ষা দেয়া। এ ছাড়াও আমাদের বিভিন্ন কর্মসূচি রয়েছে, রক্ত দেয়া, বৃক্ষরূপন করা এবং সামাজিক যত ধরনের কাজ করা প্রয়োজন সেগুলো করার চেষ্টা করি। পাশাপাশি আমরা বয়স্কদের আরবি শিক্ষাও দিয়ে থাকি।

প্রথম অক্ষর ফাউন্ডেশনটির মহাসচিব বলেন, আমাদের আরও অনেক স্বপ্ন আছে। আমরা যদি সরকারেরর  পক্ষ থেকে কোনো ধরনের সাহায্য সহযোগিতা পেতাম, তাহলে স্বপ্নগুলো বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হতাম।

এমএম/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ