মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কাশ্মীরের মসজিদগুলোতে জুমার খুতবার বিষয় নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় কমিটি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের ইন্তেকালে খিদমাতুল ইসলাম পরিষদের শোক এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন সৌদি যুবরাজ যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন পীর সাহেব চরমোনাই সৌদি আরবসহ ৩১ মুসলিম দেশের নাগরিকদের নিয়োগ বন্ধ করেছে এয়ার ফ্রান্স আল-আজহারের পরীক্ষায় মেধাতালিকার শীর্ষ দশে ৫ বাংলাদেশি থাইল্যান্ডে জাতীয় কুরআন প্রতিযোগিতায় রাজা-রানি ওমরাহ যাত্রীদের ওপর হামলা গুরুতর অপরাধ: সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটির চাঁদপুর জেলা কমিটি গঠন তুরস্কের ইবন হালদুন বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে আজহারী

প্রতিদিন পাঠে রিজিকের অভাব দূর করবে যে সুরা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ আফফান

মানব জীবনের অন্যতম সমস্যা হচ্ছে অভাব। মানুষের চাওয়া পাওয়ার শেষ নেই, তাই অভাব মানুষের পিছু ছাড়ে না। একটি অভাব দূর করার পর জন্ম নেয় আরেক অভাব।

হযরত মুহাম্মদ সা. তার উম্মতকে বলে দিয়েছেন অভাব থেকে মুক্তির উপায়। দেখিয়েছেন জীবনে চলার পথ। যে রাসূল সা. এর দেখানো পথে চলবে কোন দিন তার অভাব আসবে না।

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা. বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতিদিন রাতে সুরা ওয়াক্বিয়াহ তেলাওয়াত করবে তাকে কখনো দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না।

অন্য এক হাদিসে আছে, সুরা ওয়াকিয়াহ হলো ধনাঢ্যতার সুরা, সুতরাং তোমরা নিজেরা তা পড় এবং তোমাদের সন্তানদেরও এ সুরার শিক্ষা দাও।

অন্য এক বর্ণনায় আছে: তোমাদের নারীদের এ সুরার শিক্ষা দাও। আম্মাজান হজরত আয়েশা রা. কে এ সুরা তেলাওয়াত করার জন্য আদেশ করা হয়েছিল। তাছাড়া এ সুরা শারিরিক সুস্থতা রক্ষা ও অসুস্থতা দূরীকরণেও উপকারী।

এমনকি বর্ণিত আছে, হজরত ইবনে মাসউদ রা. কে যখন তার সন্তানদের জন্য একটি দিনারও রেখে না যাওয়ার কারণ জিজ্ঞেস করা হলো তখন তিনি উত্তরে বলেছিলেন, তাদের জন্য আমি সুরা ওয়াকিয়াহ রেখে গেলাম।

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ