মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কাশ্মীরের মসজিদগুলোতে জুমার খুতবার বিষয় নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় কমিটি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের ইন্তেকালে খিদমাতুল ইসলাম পরিষদের শোক এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন সৌদি যুবরাজ যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন পীর সাহেব চরমোনাই সৌদি আরবসহ ৩১ মুসলিম দেশের নাগরিকদের নিয়োগ বন্ধ করেছে এয়ার ফ্রান্স আল-আজহারের পরীক্ষায় মেধাতালিকার শীর্ষ দশে ৫ বাংলাদেশি থাইল্যান্ডে জাতীয় কুরআন প্রতিযোগিতায় রাজা-রানি ওমরাহ যাত্রীদের ওপর হামলা গুরুতর অপরাধ: সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটির চাঁদপুর জেলা কমিটি গঠন তুরস্কের ইবন হালদুন বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে আজহারী

ইন্তেকালের পর মৃতকে দ্রুত দাফন করবেন না দেরিতে?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইসমাঈল আযহার: আমাদের সমাজে লাশ বা মৃতব্যক্তির ব্যাপারে একটা কথা অনেকেই বলেন, নবী স. এর দাফন কাজে দুদিন বিলম্ব হয়েছিল, অতএব দাফন কাজে বিলম্ব করা অবকাশ আছে। অনেকে মনে করেন, বিলম্ব করাই সুন্নাত।

আমাদের নবী হযরত মুহাম্মাদ স. সমস্ত সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ। সাহাবায়ে কেরাম নিজেদের জীবনের চেয়েও বেশি ভালবাসতেন রাসুল স. কে। তাঁর ইন্তেকালের পর সাহাবায়ে কেরাম যে অবস্থার সম্মুখিন হয়েছিলেন তা সবার কাছে সুস্পষ্ট।

রাসুল স. নির্দেশ অনুযায়ী হযরত আয়শা রা. সংকীর্ণ ঘরের ভেতরে গোসল, কাফন, জানাযা সবকিছুই করতে হয়েছে। এই সংকীর্ণ স্থানে অসংখ্য সাহাবায়ে কেরাম, মুমিন, মসলমানের জানাযা আদায়ের বিষটি অত্যন্ত বিবেচনার বিষয়। দু’তিন জনের বেশি জানাযা আদায়ের কোনো সুযোগই ছিল না সেই ঘরে। তাই রাসুল স. শ্রেষ্ঠ মার্যাদা এবং পরবর্তী সমস্যাগুলো বিবেচনার পর এমন কথা বলা ধৃষ্টতার অন্তর্ভূক্ত।

বহু হাদিসে এমন রয়েছে যেখানে রাসুল স, তাড়াতাড়ি মৃতকে দাফন করার নির্দেশ দিয়েছেন। অতএব সুস্পষ্ট নির্দেশ অমান্য করে ইন্তেকালের পর একটি বিষেয় প্রয়োজনের মুহূর্তের ঘটনাকে মাধ্যম করে মৃতকে দাফন কাফনে বিলম্ব করার এ উক্তি অর্থহীন এবং নিতান্তই দুঃখজনক।

সূত্র: দাফন কাফনের মাসলা মাসায়েল।

আইএ


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ