শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা আবেগ নয়, বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিন ১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে? বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে

সৌদি নারীদের কাছে ডিভোর্সের সংবাদ পৌঁছবে এসএমএসে

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সৌদি আরবের নারীরা এখন এসএমএস বা ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদের খবর জানতে পারবেন। দেশটিতে যে নতুন আইন জারি হওয়ার ফলে বিবাহ বিচ্ছেদ কার্যকর হওয়ার তথ্য ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমেই জানতে পারবেন তারা। খবর বিবিসির।

ওই আইন ‍অনুযায়ী, কারও বিচ্ছেদের আবেদন অনুমোদন হলে এসএমএস পাঠিয়ে নারীদের নিশ্চিত করবে আদালত। নতুন এ আইনটি কার্যকর হয়েছে রোববার থেকে।

সৌদির নারী আইনজীবীরা বলছেন, এর ফলে দেশটিতে নারীদের ক্ষেত্রে হঠাৎ করে বিচ্ছেদের প্রবণতা বন্ধ হবে, যা দেশটিতে ‘গোপন তালাক’ নামে পরিচিত। যার ফলে স্ত্রীদের কোনও কিছু না জানিয়েই বিয়ে ভেঙ্গে দিতে পারতেন স্বামীরা।

ফলে নতুন এই নির্দেশনায় নারীরা তাদের বৈবাহিক অবস্থা সম্পর্কে পুরোপুরি জানতে পারবেন এবং বিয়ের পরবর্তী ভরণপোষণের অধিকার রক্ষা করতে পারবেন।

সৌদি আইনজীবী নাসরিন আল-গামদি ব্লুমবার্গ ম্যাগাজিনকে বলেছেন, নতুন এই পদক্ষেপে বিচ্ছেদের পরে নারীরা তাদের অধিকার রক্ষা করতে পারবেন। পাশাপাশি বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে ক্ষমতার অপব্যবহারও রোধ হবে।

সৌদি আরবের অনেক নারী দেশটির আদালতে আপিল করেছেন যে, তাদেরকে কোনও রকম অবহিত না করেই ‘তালাক’ দিয়েছেন তাদের স্বামীরা, বলছেন আইনজীবী সামিয়া আল-হিনদি।

বলা হচ্ছে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সংস্কার কর্মসূচীর অংশ হিসেবে নতুন এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। যুবরাজ মোহাম্মদ এর আগে সেদেশে নারীদের মাঠে গিয়ে ফুটবল ম্যাচ দেখার সুযোগ এবং পুরুষদের জন্য সংরক্ষিত চাকরিতে নারীদের চাকরির সুযোগ তৈরি করে দেন।

একা একা যেসব কাজ করার ক্ষেত্রে সৌদি নারীদের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, সেগুলো হচ্ছে-পাসপোর্টের জন্য আবেদন, বিদেশ ভ্রমণ, বিয়ে করা, ব্যাংকের হিসাব খোলা, কিছু ব্যবসা শুরু করা, অস্ত্রোপচার করা এবং কারাগার থেকে বের হওয়া।

-এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ