শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সিয়ানাহ ট্রাস্টের সিরাত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ সম্পন্ন ২০৩২ সালের মধ্যে ৬৪ জেলায় মারকাযুল ফুরকানের কার্যক্রম চালুর পরিকল্পনা মডেল মসজিদ ইমাম পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি হলেন মাওলানা আহমেদ মাসরুর রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ জনের মৃত্যুতে ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিবের শোক মসজিদে বোমা হামলার পরিকল্পনা থেকে মার্কিন সেনার ইসলাম গ্রহণ! মারকাযুল ফুরকানের বর্ণাঢ্য আয়োজনে মেধা প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণ ‘মুহাম্মদ’ নাম নিয়ে ট্রাম্পের ব্যঙ্গ নিয়মিত নামাজ আদায়ের শীর্ষে আফগানিস্তান, দৈনিক নামাজ পড়েন ৯৬ শতাংশ লালন দর্শন ও ইসলামের আকিদা: কুরআন-সুন্নাহর আলোকে কয়েকটি মৌলিক মতপার্থক্য মহানবী (সা.)-কে কটূক্তির অভিযোগে ইরানি তরুণীর মৃত্যুদণ্ড

সৌদি-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও উন্নত হবে: সৌদি বাদশাহ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: বাংলাদেশের অসামান্য উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা এবং শেখ হাসিনার সরকারের ধারাবাহিকতার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ।

তিনি বলেছেন, যদি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় থাকে তাহলে সৌদি আরব ও বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্ক আরও উন্নত হবে এবং সব ক্ষেত্রে উন্নতি সাধিত হবে।

বুধবার বিকালে সৌদি আরবের রিয়াদে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি বাদশার বৈঠকের পর পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হক সৌদি বাদশার উদ্ধৃতি দিয়ে এ তথ্য জানান।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, সৌদি বাদশাহ তিনবার প্রধানমন্ত্রীর সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার কথা উচ্চারণ করেন।

তিনি বলেন, বৈঠকটি উষ্ণ ও আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাদশাহ নিজে রাজপ্রসাদের প্রবেশ দ্বারে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়েছেন।

বাদশাহ প্রধানমন্ত্রীকে বলেছেন, এটি আপনার ঘর এবং আপনাকে সবসময় এখানে স্বাগতম।

বাদশাহ বলেন, সৌদি আরব ও বাংলাদেশ দুটি ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ এবং ধর্মের পাশাপাশি আমরা বিভিন্ন বিষয়ে একই বন্ধনে বাঁধা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাদশার আথিয়েতার জন্য ধন্যবাদ জানালে সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ বলেন, এটা তার দায়িত্ব।

তিনি বলেন, দুদেশের মধ্যকার সম্পর্ক অনেক উন্নত হয়েছে এবং উল্লেখ করেন যে অর্থনীতি, সংস্কৃতি, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও জোরদারের সুযোগ রয়েছে।

বাদশাহ বলেন, আমরা যৌথভাবে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়ছি। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে এটা অব্যাহত থাকবে এবং এটি দুই ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের জনগণের অভিন্ন আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।

প্রধানমন্ত্রী প্রতিরক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারের প্রস্তাব করলে বাদশাহ প্রস্তাবগুলো যথাযথ বলে অভিহিত করেন।

বাদশাহ বলেন, আনুষ্ঠানিক পর্যায়ে আলোচনার পর এক্ষেত্রে পদক্ষেপ নেব।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি আরবে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশী কাজ করছে উল্লেখ করে এ ক্ষেত্রে তাদের দেখাশোনা করার জন্য সৌদি সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

সৌদি বাদশাহ সেদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিরা সৌদি অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রাখছে উল্লেখ করে বলেন, তাদের দেখভাল করা আমার দায়িত্ব।

প্রধানমন্ত্রী সৌদি বাদশাকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বাদশাহ আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন এবং ‘আমরা এটি কূটনৈতিক পর্যায়ে সম্পন্ন করবো বলে জানিয়েছেন।’

তিনি বলেন, বাদশা ফিলিস্তিনিদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে বলেছেন, বাংলাদেশ সবসময় মুসলিম উম্মার প্রশ্নে লড়াই করে। বিশেষ করে ফিলিস্তিন ইস্যুতে।

বাদশাহ বলেন, এ ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান সবসময় সম্মানজনক এবং এজন্য আমরা অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। সূত্র: বাসস।

আরও পড়ুন: সরকারি নিয়ন্ত্রণ ও হস্তক্ষেপমুক্ত কওমি স্বীকৃতি বিরল ঘটনা: মুফতি ওয়াক্কাস

-আর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ