শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে? বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে মাঝপথে ইঞ্জিন বিকল, আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে বলাকা কমিউটারের যাত্রা

কওমি স্বীকৃতির কি প্রয়োজন ছিল?

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মাওলানা আহমদ আলী
আলেম, লেখক ও গবেষক

আমাদের সময়ে এখনকার মতো এত ব্যাপকহারে কওমি মাদরাসায় ছেলেরা পড়ালেখা করতো না। যারাই কওমি মাদরাসায় যেতো হেফজখানা বা মক্তব থেকে শুরু হত তাদের পড়াশোনা।

তখন আসাবিক মাদরাসাই প্রাধান্য ছিল। যখন বাড়িতে যেতাম কোনো আত্মীয়-স্বজন দেখলেই মা বাবাকে তারা প্রথম এই প্রশ্নটা করতো- তোমার ছেলেকে মাদরাসায় দিয়েছো ওদের কি সার্টিফিকেট আছে?

মা বাবা বলতো ‘না ওদের কোনো সার্টিফিকেট নাই’। তারা বলতো সার্টিফিকেট না হলে ওদের ভবিষ্যৎ কি হবে?

কওমি সমালোচনার জবাব

যদিও রিজিকের বিষয়টা সার্টিফিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত না। বহু ভাল ভাল সার্টিফিকেটধারী চাকরি-সংকটে আছে। বহু ডাক্তার নিরক্ষর মানুষের মেডিকেলে চাকরি করে।

সুতরাং খাবারের সঙ্গে সার্টিফিকেটের কোনো সম্পর্ক নেই। তবে সাধারণ মানুষের বিশ্বাস হল, যদি সরকারি স্বীকৃতি থাকে তাহলে শিক্ষার মূল্যায়ণ হল। তারা যে কোনো জায়গায় কিছু একটা করে খেতে পারবে। অথচ যারা কওমি মাদরাসায় পড়ে তাদের ভিত্তি হলো ঈমানের ওপর।

বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন, রেশমি রোমাল আন্দোলন থেকে শাইখুল হিন্দ আল্লামা হুসাইন আহমাদ মাদানী যে আন্দোলন শুরু করেছিলেন তা দেওবন্দের সূর্য-সন্তান তাদের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে কওমি মাদরাসার প্রচার ঘটে।

আল-আযহার ইউনিভার্সিটি অনেক পূর্বের থেকে স্বীকৃত। কিন্তু সেখান থেকে পড়ে এসে কেউ দশটি মাদরাসাও আল-আযহারের মূলনীতি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠা করেনি। অথচ দেওবন্দ থেকে পড়ে এসে লক্ষ লক্ষ মাদরাসা দেওবন্দের মূলনীতি অনুযায়ী প্রতিষ্ঠা করেছে।

এর কারণ হল, ঈমানি চেতনায় দেওবন্দ ও তার চিন্তা দর্শন হক হক্কানিয়াতের ঝাণ্ডা বহন করে।

এখন হক ও হক্বানিয়াতের ঝান্ডা বহন করার জন্য যদি তাদের পার্লাপেন্টে যেতে হয়, তারা পার্লামেন্টে যাবে। একটা যায়গায় অভাব ছিলো।

আমাদের অনেক ছেলে ফাঁকে ফাঁকে আলিয়া মাদরাসায় পরীক্ষা দেয়। আলিয়া মদরাসায় টিচার হিসেবে জয়েন করে অধিকাংশ কওমি মাদরাসা পড়ুয়া। ফাঁকে দিয়ে দু’এক মাস পড়ে পড়ে পরীক্ষা দিয়ে তারা সবচেয়ে ভালো রেজাল্ট করে।

সত্যিকার অর্থে আমাদের অনেক ছেলে চুপে চুপে পরীক্ষা দেয়ার কারণে দেখা যায় তাদের অনেক দিকে অধঃপতন হয়। যেহেতু তাদের সেরকম পরিচর্যা হয় না। আলহামদুলিল্লাহ এখন এ স্বীকৃতির কারণে কওমি পড়ুয়াদের আলিয়ায় পরীক্ষা দেয়া লাগবে না।

প্রশ্ন হলো, স্বীকৃতির প্রয়োজন ছিল কিনা। আমি বলি, আসলেই এ স্বীকৃতির খুব বেশি প্রয়োজন ছিল, আমাদের মুরুব্বি শাইখুল হাদিস রহ. তিনি এ স্বীকৃতির জন্য মুক্তাঙ্গনে অবস্থান করেছিলেন, আওয়াজ তুলেছিলেন।

স্বীকৃতির বিষয়কে মানুষের সামনে এনেছেন। যদিও এ সার্টিফিকেট আমাদের রুটি রুজি ব্যবস্থার জন্য না। কিন্তু মাদরাসার লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীর জন্য সামাজিক মর্যাদার। এটা অস্বীকার করা যাবে না।

শ্রুতি লিখন: ইসমাঈল আযহার

আরও পড়ুন: একজন বক্তার কেমন হওয়া উচিৎ?

[মালিবাগে চালু হয়েছে অত্যাধুনিক হিজামা সেন্টার। নবীজি সা. নির্দেশিত এ চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করে সুস্থ থাকুন। হার্টের রোগ, কিডনির, লিভারের ও স্ট্রোকসহ শরীরের বাত ব্যথার জন্য খুবই উপকারী হিজামা: যোগাযোগ ০১৮৫৮১৪১৮৪৬]


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ