শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬ ।। ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ১৯ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
নাটোরে অগ্নিকাণ্ডে মাদরাসা পুড়ে ছাই, অক্ষত কুরআনের ২৫টি কপি খুলনায় স্কুলছাত্রী গুলিবিদ্ধ দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর সাক্ষী সুখরঞ্জন বালীকে অপহরণ করেন এএসপি ফজলু: ডিবি আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানাল সৌদি সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ৪৪  জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বার্ষিকীতে সুনামগঞ্জে খেলাফত মজলিসের আলোচনা সভা ধর্মান্তরের ঝুঁকি মোকাবিলায় মক্তবব্যবস্থা জোরদারের আহ্বান জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের বগুড়ায় জমি নিয়ে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৮ জুমার খুতবায় পাকিস্তানি স্কলার আলেমের হার্ট অ্যাটাক যোগ্য নেতৃত্ব ছাড়া সমাজ পরিবর্তন সম্ভব নয়: গাজী আতাউর রহমান

ছাড়া পেলেন হলি আর্টিজান হামলায় গ্রেফতার হাসনাত করিম

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: দুই বছরের বেশি সময় কারাগারে থাকার পর অবশেষে ছাড়া পেলেন গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারিতে জঙ্গি হামলায় গ্রেপ্তার হওয়া নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যোলয়ের শিক্ষক হাসনাত রেজা করিম।

বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে চারটার সময় গাজীপুরের কাশিমপুরের হাই সিকিউরিটি জেল থেকে মুক্তি পান ব্রিটেন ও বাংলাদেশের এই দ্বৈত নাগরিক। এসময় সেখানে তার পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায়।

হাসনাত করিম হলি আর্টিজান হামলায় জড়িত বলে সে সময় ধারণা করা হয়। আবার নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার সময় উগ্রপন্থী ও নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহরীরের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা এবং এই সংগঠনকে পৃষ্ঠপোষকতা করার অভিযোগ আছে হাসনাতের বিরুদ্ধে।

জঙ্গি হামলার পর সেনা অভিযানে উদ্ধার জঙ্গিদের মধ্যে ‘রহস্যজনক’আচরণের কারণে হাসনাত করিমকে গোয়েন্দা কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

এরপর তাকে ওই বছরের ৩ আগস্ট রাজধানীর একটি বাড়ি থেকে গুলশান হামলার সন্দেহভাজন হিসেবে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ৪ আগস্ট প্রথম দফায় তার আট দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

রিমান্ড শেষে ১৩ আগস্ট হলি আর্টিজান মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সেদিনই আরও আট দিন রিমান্ডে নেয়া হয় হাসনাত করিমকে।

দুই দফা ১৬ দিনের রিমান্ড শেষে ২৪ আগস্ট তাকে আদালতে নেয়া হলে তার জামিন আবেদন নাকচ করে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর থেকে তিনি কাশিমপুর কারাগারে বন্দি ছিলেন।

গুলশান জঙ্গি হামলার মামলায় চার্জশিটভুক্ত আটজন আসামি হলেন- হামলার মূল সমন্বয়ক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক তামিম চৌধুরীর সহযোগী আসলাম হোসেন ওরফে রাশেদ ওরফে আবু জাররা ওরফে র‌্যাশ, ঘটনায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহকারী নব্য জেএমবির নেতা হাদিসুর রহমান সাগর, নব্য জেএমবির অস্ত্র ও বিস্ফোরক শাখার প্রধান মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, জঙ্গি রাকিবুল হাসান রিগ্যান, জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব ওরফে রাজীব গান্ধী, হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী আব্দুস সবুর খান (হাসান) ওরফে সোহেল মাহফুজ, শরিফুল ইসলাম খালিদ ও মামুনুর রশিদ রিপন। আসামিদের মধ্যে শরিফুল ইসলাম ও মামুনুর রশিদ পলাতক এবং অপর ৬ আসামি কারাগারে রয়েছেন।

কারাগারে থাকা আসামিদের মধ্যে মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, হাদিসুর রহমান সাগর, রাশেদ ওরফে আবু জাররা ওরফে র‌্যাশ ও রাকিবুল হাসান রিগ্যান হামলার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

শিক্ষকদের জন্য কুরআন তরজমা পাঠদান পদ্ধতি বিষয়ক কর্মশালা

এটি/আওয়ার ইসলাম


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ