বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ ।। ৩০ পৌষ ১৪৩২ ।। ২৬ রজব ১৪৪৭

শিরোনাম :
‘ক্ষমতায় গেলে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করবেন না বলে জানিয়েছেন জামায়াত আমির’ ভুল সংবাদের ভিত্তিতে ইসি শোকজ করেছে: মাওলানা মামুনুল হক এলপিজি গ্যাসের সংকট মোকাবেলায় সরকারের বড় পদক্ষেপ  ইসিতে শুনানির পঞ্চম দিনে আরও ৭৩ প্রার্থীর আপিল মঞ্জুর বিজিবিতে নিয়োগ পেয়ে যা বললেন ফেলানীর ছোট ভাই ইসলামী আন্দোলনের আমীর সংবাদ সম্মেলন স্থগিত করতে কাউকে অনুরোধ করেন নাই কুষ্টিয়ায় শীতার্তদের দ্বারে দ্বারে ‘রেডিয়েন্ট সার্কেল’ বাড্ডায় নাহিদ ইসলামের নির্বাচনী অফিসে গুলি লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট জামিয়া ইসলামিয়া হোসাইনিয়ায় তাকমীল জামাতের সমাপনী দরস অনুষ্ঠিত

এক সপ্তাহে পদ্মা গিলেছে ৩০০ বাড়িঘর

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম : পদ্মার ভাঙনের কবলে পড়েছে মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার ৫টি গ্রাম। গত এক সপ্তাহে ডুবেছে ৩০০ বসতভিটা। রামকৃষ্ণপুর, কদমতলী, উজানকান্দি, বড় বাহাদুরপুর, ছোট বাহাদুরপুর এ পাঁচটি গ্রামে মূলত আঘাত হেনেছে পদ্মার ঢেউ।

গ্রামগুলোর স্কুল, মাদরাসা, মসজিদসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও নদীগর্ভে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।

বাড়িঘর ভেঙে পদ্মার ঢলে ভেসে যাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছেন। খাবার, পানি ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রেরও অভাব দেখা দিয়েছে ভাঙনে বিপর্যস্ত মানুষের মধ্যে।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখেন বাড়ির উঠান, গাছপালা সব নদীর প্রবল ঢেউ ভেঙে ভেঙে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তারা হুড়মুড় করে উঠেই ঘর ও ঘরের জিনিসপত্র সরাতে শুরু করেন। পরিবারের সদস্যদের অন্যত্র চলে যেতে থাকেন। কেউ আবার বাড়ির মায়ায় স্থির দাঁড়িয়ে থাকেন।

ছোট বাহাদুরপুরের দিন মজুর হারেজ আলী বলেন, রান্নাঘর, টয়লেট সব ভেঙে গেছে। এ অবস্থায় যেসব বাড়িঘরের কিছু অংশ এখনো রয়ে গেছে সেগুলোতেও রান্না করা, টয়লেটে যাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়ছে।

ভাঙনের কবলে পড়া প্রতিটি গ্রামেই মানুষজন ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মখীন হয়েছে। অক্ষত বাঁশঝাড়, মাঠ বা পাকা রাস্তায় জায়গা নিচ্ছেন অনেকেই। মসজিদ, মাদরাসা ও পাকা স্কুলেও উঠছেন কেউ কেউ।

দ্রুত কোনো ব্যবস্থা না নিলে আগামী এক সপ্তাহে ক্ষয়ক্ষতি দ্বিগুণ হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। নদীতীর বসবাসরত মানুষ সবসময় ভাঙনে হুমকিতে থাকেন। তাদের জন্য প্রয়োজনীয় বাঁধ নির্মানসহ যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে অবস্থা আরো করুণ হবে বলে তারা দাবি করছেন। তারা এ ব্যাপারে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

আর্জেন্টিনায় বাস করে প্রায় ৮ লাখ মুসলিম

এসএস


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ