আবদুল্লাহ তামিম : জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ভারতের উদ্যোগে আয়োজিত ইসলামিক আইন কনফারেন্সে তিন তালাক ও ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ আইন বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার (২১জুন) আলোচনা করেন দেওবন্দের প্রিন্সিপাল মুফতি আবুল কাসেম নুমানি।
তিনি সর্বপ্রথম তিন তালাক সম্পর্কে আলোচনা করে বলেন, বর্তমানে মানুষ সবচেয়ে বেশি আলোচনায় নিয়ে এসেছে তিন তালাক। তিন তালাকের বিষয়ে উলামায়ে কেরাম ও উকিল সবারই স্পষ্ট ও স্বচ্ছ জ্ঞান থাকা চাই।
তিনি বলেন, মানুষ মনে করে তালাক বলতে তিন তালাকই। কিন্তু এটা মানুষের একটি ভুল ধারণা ছাড়া আর কিছু্ই নয়। মানুষ রাগের মাথায় এ ভুল কাজটি করে থাকে।
ভারতের দীর্ঘদিন ধরে তিন তালাক নিয়ে আলোচনা সমালোচনা ও আন্দোলনের পর দেশটির আদালত তিন তালাক নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। যদিও এর বিরুদ্ধে লাখও মুসলিম নারী আপত্তি করেছেন কিন্তু আদালাত তা মানেনি।
মুফতি আবুল কাসেম নুমানি মনে করেন, সমাজে ভুল ধারণার প্রেক্ষিতেই আদালত এমন সিদ্ধান্ত নেয়ার চিন্তা করেছি। কিন্তু ইসলামের তালাক প্রথা ও তালাক প্রদানের বিষয়টি নিয়ে আরও গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে এ ভুল ধারণা ও নেতিবাচক মানসিকতা থেকে উত্তরণ সম্ভব।
মুফতি আবুল কাসেম নুমানি তার বক্তব্যে বিষয়টি স্পষ্ট করে বলেন, কেউ যদি তালাক দিতেই চায় তাহলে শরিয়ত তাকে এক তালাকে রাজয়ি দেয়ার অনুমতি দেয়। তাকে তিন তালাক এক সঙ্গে দেয়ার অনুমতি দেয় না শরিয়ত।
শরিয়ত বলে এক সঙ্গে তিন তালাক নয় বরং একান্তই যদি তালাক দিতেই হয় তাহলে এক তালাক দিতে হবে। ইদ্দত বা সময় সীমা অতিবাহিত হওয়ার আগে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে যদি বনিবনা হয়ে যায় শুকরিয়া, না হলে আরেক তালাক দিবে।
ইদ্দত বা সময় সীমা শেষ হলে তালাকে বায়েন হয়ে যাবে। শরিয়তে তাকে আবারো বিয়ে করা যাবে হালালা (অন্যের কাছে বিবাহ বসা ছাড়া) আবারো বিবাহ করার অনুমতি থাকবে।
শরিয়ত তালাকের বিধান এমন করেই নির্ধারণ করেছে। এক সঙ্গে তিন তালাকের কোনো স্থান নেই শরিয়তে।
কুরআনে আল্লাহ বলেন, হে নবী, তোমরা যখন স্ত্রীদের তালাক দিতে চাও, তখন তাদের তালাক দিয়ো ইদ্দতের প্রতি লক্ষ্য রেখে এবং ইদ্দত গণনা করো। তোমরা তোমাদের পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় করো। তাদেরকে তাদের গৃহ থেকে বহিস্কার করো না এবং তারাও যেন বের না হয় যদি à¦