রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ।। ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ৬ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
‘ইসলামি রাজনীতির কর্মীদের আদর্শিক দৃঢ়তা ও সাংগঠনিক দক্ষতা জরুরি’ নোয়াখালীতে নূরানী বোর্ডের ষান্মাসিক জোড় অনুষ্ঠিত  ‘সমালোচনার ক্ষেত্রেও আল্লাহভীতি ও শালীনতার পরিচয় দেওয়া উচিত’ কানাডায় মসজিদের ইমামের ওপর হামলা উদ্বোধনের আগেই মডেল মসজিদে ফাটল! ‘সংসদে আমিরে মজলিসকে নিয়ে বক্তব্য অনভিপ্রেত ও বিভ্রান্তিকর’ প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর, আলোচনায় সামরিক সহযোগিতাসহ ১৭ চুক্তি ইসলামী ছাত্র মজলিসের স্কিলস ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত সুইজারল্যান্ডে ইরানের প্রতিনিধি দল, যাচ্ছেন ভ্যান্স-শাহবাজ ও আসীম মুনির দুপুরের মধ্যে ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত

যুবরাজের এক বছরে সৌদির যে পরিবর্তন দেখেছে বিশ্ব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম: মুহাম্মদ বিন সালমান যুবরাজ হিসেবে এক বছর পূর্ণ করলেন।

এই এক বছরে সৌদি আরবে বেশ কিছু বড় পরিবর্তন হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্রনীতি থেকে শুরু করে দেশের অভ্যন্তরে সামাজিক-সাংস্কৃতিক পরিবর্তন চোখে পড়ার মতো।

এসবের পেছনে মূল ভূমিকা ছিল মুহাম্মদ বিন সামলানের গত এক বছর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এমনটাই বলে আসছে। যুবরাজ সালমানের বয়স এখন ৩৩।

এই বয়সে সৌদি আরবের মতো তেল সমৃদ্ধ দেশের নেতৃত্ব পেয়েছেন। এই এক বছরে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন তার লক্ষ্য বহু দূর। সময় একেবারেই অপচয় করতে চান না। এক বছরে একজন দক্ষ সংস্কারক হিসেবে নিজের ইমেজ দাঁড় করিয়েছেন।

সৌদি আরবকে কট্টরপন্থি ইসলাম থেকে আধুনিক ইসলামিক দেশে রূপান্তর করার বিভিন্ন পদক্ষেপ তিনি গ্রহণ করেছেন। তার ভূমিকাতেই সৌদি আরবে সিনেমা হল চালু হয়েছে।

যে নারীরা দীর্ঘদিন থেকে গাড়ি চালানোর অধিকার দাবি করে আসছিল, এখন তাদের হাতে গাড়ির স্টিয়ারিং। নারীরা স্বাধীনভাবে বিনিয়োগের সুযোগও পেয়েছে।

এদিকে গত এক বছরে নিজ দেশের আরেকটি বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করেন সালমান। তার নির্দেশে দুর্নীতির অভিযোগে গত সেপ্টেম্বর মাসে দেশটির শতাধিক যুবরাজ, উচ্চস্থানীয় কর্মকর্তা, মন্ত্রী, বড় ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়।

ধারণা করা হয়, এর মধ্য দিয়ে তিনি তার ক্ষমতার রাস্তা প্রশস্ত করেন এবং তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের সরিয়ে দেন। আটককৃতদের রিয়াদের একটি বিলাসবহুল হোটেলকে কারাগার বানিয়ে সেখানে রাখা হয়।

যদিও পরে শত শত মিলিয়ন ডলারের বিনিময়ে তাদের অনেককে জামিন দেওয়া হয়। এ ছাড়া দেশের অভ্যন্তরে অভিযান শুরু হয়। যার আওতায় অনেক অধিকারকর্মী, লেখক ও সাংবাদিককে আটক করা হয়।

যুবরাজের এসব সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করে বিশ্বের মানবাধিকার সংস্থাগুলো। এ অভিযান এখনো চলছে। এক বছর আগে ক্ষমতা হাতে পেয়েই প্রথম যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন তা হলো কাতারকে এক ঘরে করে ফেলা।

সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিসরকে সঙ্গে নিয়ে কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে সৌদি আরব। একই সঙ্গে পুরনো শত্রু ইরানের দিকেও চড়া সুর তোলেন।

এর আগে ২০১৫ সালে যখন তিনি বিশ্বের কনিষ্ঠ প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন, তার দুই মাস পরই সৌদি আরব জোট ইয়েমন আক্রমণ করে। সেখানে এখন মানবেতর পরিস্থিতি।

নিহতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়েছে।এ কথা মানতেই হবে, যুবরাজ এক বছরে ঝড়ের গতিতে এগিয়ে চলেছেন। এর মধ্যে কিছু সিদ্ধান্ত সমালোচিত হয়েছে কিছু সিদ্ধান্ত প্রশংসিত হয়েছে।

তবে এসব সংস্কারের ফল সৌদি জনগণ কীভাবে নেবে এবং কতটা লাভবান হবে তা আগামী দিনগুলোতে পরিষ্কার বোঝা যাবে।

সূত্র: আলজাজিরা ও টাইমস অব ইন্ডিয়া

নেতাকর্মীদের নির্বাচনী বার্তা দেবেন প্রধানমন্ত্রী


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ