সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬ ।। ১০ কার্তিক ১৪৩৩ ।। ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
সৌদিতে বজ্রপাতে বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু শক্তিশালী হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, সমুদ্রবন্দরে ২ নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত হুথিদের পাঁচ সুড়ঙ্গ ও চার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণকেন্দ্রে হামলার দাবি সৌদির কাকরাইল তাবলীগ মারকাজের প্রবীণ মুরব্বি ডাক্তার সাইফুদ্দিন আর নেই রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৬৬২, মামলা ৪৩ বাংলাদেশে ৬৩৫ কোটি ডলার বিনিয়োগের উদ্যোগ জাপানের মাদকদ্রব্য বিক্রি করে উপার্জন করা কি জায়েয? গভীর রাতে পাকিস্তান-আফগানিস্তানে ভয়াবহ ভূমিকম্প, ব্যাপক ক্ষতির শঙ্কা খুতবায় মানবপাচারের ঝুকিঁ তুলে ধরার আহ্বান ইফা মহাপরিচালকের সৌদি আরবের তিন স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করল হুতিরা

প্রকাশিত সংবাদের ব্যাখ্যা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: কওমি শিক্ষার্থীদের ভারতের দারুল উলুম দেওবন্দে উচ্চশিক্ষার সুযোগ তৈরির দাবিতে ২১মে রাজধানীর প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে মাওলানা মামুনুল হকের বক্তব্যে অনেকের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

আওয়ার ইসলামে প্রকাশিত সংবাদের শিরোনামটি ছিল- ‘রাষ্ট্রীয় সীমানা প্রাচীর উঠিয়ে কওমি শিক্ষার্থীদের দেওবন্দে পড়ার সুযোগ দিন’।

মাওলানা মামুনুল হকের উদ্বৃতি দিয়ে সংবাদে বলা হয়, ‘কওমি শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষা রাষ্ট্রীয় সীমানা প্রাচীরে আটকে আছে। স্টুডেন্ট ভিসার মাধ্যমে সীমান্তের এ বাধা উঠিয়ে নিয়মতান্ত্রিকভাবে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ করে দিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করুন ৷’

সংবাদের এ অংশটির অর্থ অনেকে ভিন্নভাবে নিয়ে সমালোচনা সৃষ্টি করছেন। অনেকের দাবি মাওলানা মামুনুল হক দেশের সীমানা উঠিয়ে দেয়ার কথা বলেছেন। তার বক্তব্যে এ জাতীয় কোনো কথা নেই। তিনি নিয়মতান্ত্রিকভাবে বাংলাদেশ ও ভারতের পররাষ্ট্র নীতির আলোকে স্টুডেন্ট ভিসার মাধ্যমে বাংলাদেশি ছাত্রদের দেওবন্দে পড়ার আবেদন জানিয়েছেন দুই দেশের সারকারের কাছে।

এদিকে বিষয়টি নিয়ে কোনো কোনো অনলাইন পোর্টাল ও সংবাদপত্রে বিভিন্নভাবে কথাটিকে ঘুরিয়ে সংবাদ করেছে। যার দরুন পাঠকমহল বিভ্রান্তিতে পড়ছেন।

এ নিয়ে মাওলানা মামুনুল হক তার নিজস্ব ফেসবুক পেইজে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে বিষয়টির ব্যাখ্যা ও নিজের অবস্থান পরিস্কার করেছেন।

তিনি বলেন, একটা বাক্যেরই কিছু অংশ (নিয়মতান্ত্রিকভাবে স্টুডেন্টভিসার মাধ্যমে সীমান্তের বাধা অপসারণ) বাদ পড়ে গেল ৷ আর তদস্থলে বলা হল, অামি সীমান্তের প্রাচীর উঠিয়ে দেয়ার দাবি জানিয়েছি ৷ সীমান্ত উঠিয়ে দেয়ার দাবি আর ভিসার মাধ্যমে বাধা অপসারণের দাবি কী করে এক হয়?

এটা হয়ত সংবাদকর্মীর বেখেয়ালী অনুলিখন হয়েছে ৷ কিন্তু সেটাকেই অনেকে অবলম্বন করেছেন ৷ কোনো কোনো সুহৃদবন্ধু এতে শংকিত হয়েছেন ৷ কেউ কেউ আশাহত হয়েছেন ৷ আবার কেউ কল্যাণকামিতার দৃষ্টিতে সমালোচনাও করেছেন ৷ তাদের সকলের শুকরিয়া আদায় করছি ৷

আমরা বিশ্বাস করি, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে মাতৃভূমির যে সীমানাপ্রাচীর তৈরি হয়েছে, তার প্রতিটি ইট আমাদের অস্তিত্বের স্মারক! আর এভূমির প্রতি ইঞ্চি মাটি আমাদের জায়নামায!! সব কিছুতে স্বাধীনতার বিরোধিতা কিংবা পাকিস্তান পাকিস্তান গন্ধ শোঁকা যেমন ঠিক নয়, বিপরীতে দেওবন্দপ্রীতিকে ভারতপ্রীতি মনে করাও অযৌক্তিক!! বি.স

‘রাষ্ট্রীয় সীমানা প্রাচীর উঠিয়ে কওমি শিক্ষার্থীদের দেওবন্দে পড়ার সুযোগ দিন’


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ