মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
কাশ্মীরের মসজিদগুলোতে জুমার খুতবার বিষয় নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় কমিটি মুফতি নাসরুল্লাহ বদরের ইন্তেকালে খিদমাতুল ইসলাম পরিষদের শোক এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন সৌদি যুবরাজ যুক্তরাষ্ট্র সফরে গেলেন পীর সাহেব চরমোনাই সৌদি আরবসহ ৩১ মুসলিম দেশের নাগরিকদের নিয়োগ বন্ধ করেছে এয়ার ফ্রান্স আল-আজহারের পরীক্ষায় মেধাতালিকার শীর্ষ দশে ৫ বাংলাদেশি থাইল্যান্ডে জাতীয় কুরআন প্রতিযোগিতায় রাজা-রানি ওমরাহ যাত্রীদের ওপর হামলা গুরুতর অপরাধ: সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি খতমে নবুওয়ত সংরক্ষণ কমিটির চাঁদপুর জেলা কমিটি গঠন তুরস্কের ইবন হালদুন বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে আজহারী

সৌদিতে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু, পরিবারে শোকের ছায়া

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আবদুল্লাহ তামিম: সৌদি আরবে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দুই সহোদরসহ সাত বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে কুমিল্লার চারজন, লক্ষ্মীপুরের দুইজন ও ফেনীর একজন বলে জানা গেছে।

নিহতদের পারিবারিক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সৌদিতে বিস্ফোরণে সহোদরসহ চার বাংলাদেশির মৃত্যু

বিস্ফোরণে নিহত দুই সহোদর হলেন- চৌদ্দগ্রামের বাতিসা ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের মরহুম আবদুল হকের ছেলে এমরানুল হক সোহেল (৩৪), ইমামুল হক মুন্না (২২) এবং লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার করইতোলা বাজার সংলগ্ন চর লরেন্স গ্রামের নেছার আহম্মদের ছেলে জসিম উদ্দিন (২৬) ও মো. ইব্রাহিম (২৩)।

অপর নিহতদের মধ্যে চৌদ্দগ্রামের গুণবতী ইউনিয়নের দক্ষিণ শ্রীপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে মো. সোহেল (৩০), ফেনী শহরের উত্তর বিরিঞ্চি এলাকার ইলিয়াছ মেম্বার বাড়ির মো. মহিউদ্দিন রাশেদের (৩৫) না জানা গেছে। আর দুর্ঘটনায় নিহত আরেকজন চৌদ্দগ্রামের বাসিন্দা জানা গেলেও নাম-পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

নিহতদের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সৌদি আরবের হাইল জেলার হোলাইফা শহর এলাকায় চাকরি করতেন নিহত এমরানুল হক, মুন্না ও সোহেল। প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার রাতে খাবার রান্না ও খাওয়া শেষে একই কক্ষে সাত বাংলাদেশি ঘুমিয়ে পড়েন। বুধবার ভোরে হঠাৎ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে তাদের প্রাণহানি হয়।

চৌদ্দগ্রামে নিহত দুই ভাইয়ের পরিবারে শোকের মাতম। সরেজমিন বাতিসা ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের দুই সহোদর এমরানুল হক সোহেল ও ইমামুল হক মুন্নার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, তাদের মা সেলিনা বেগম মূর্ছা যাচ্ছেন। তিনি বলছেন, আমি এখন কারে নিয়ে বাঁচবো। দুই ছেলের স্বপ্ন ছিলো নতুন ঘরের কাজ শেষ হলে তারা বাড়ি আসবে। মায়ের এ অবস্থায় তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা যেন সবাই হারিয়ে ফেলেছেন।

লক্ষ্মীপুরে নিহতদের চাচা করইতোলা বাজারের উপকূল ল্যাবের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজির আহমেদ হেলালী তার দুই ভাতিজার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরো পড়ুন- সৌদিতে সিলিন্ডার বিস্ফোরণে ৭ বাংলাদেশির মৃত্যু, পরিবারে শোকের ছায়া


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ