শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ।। ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ ।। ১০ রমজান ১৪৪৭

শিরোনাম :
কওমি ছাত্রদের কেন একক দল বা নেতার অনুসরণ করতে হবে? সারাদেশের ইমাম-মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের তথ্য চেয়েছে সরকার চট্টগ্রামে বিএসটিআই ও র‌্যাবের যৌথ অভিযান: ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা ‘সরকার বিদ্যুতের ট্যারিফ স্থিতিশীল রাখতে একাধিক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে’  ‘নবীন কর্মকর্তারা মাঠমুখী হয়ে কাজ করলে আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত হবে’ গণভোটের ফলাফলে সংশোধনী এনেছে ইসি  ‘সরকারি কর্মকর্তারা সঠিক সময়ে অফিসে না আসলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে’ জামালপুরে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: জরিমানা ২০ হাজার  বিশ্বে সন্ত্রাসবাদের কোনো স্থান নেই: নরেন্দ্র মোদী স্বাস্থখাতে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী

‘কিছু মুসলিম দেশের বিশ্বাসঘাতকতা ভোলার নয়’

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম: সিরিয়ার ওপর সম্মিলিত ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সহযোগিতা দেয়ার জন্য কিছু মুসলিম দেশের কড়া সমালোচনা করেছেন ইরানের সংসদ স্পিকার আলী লারিজানি। এসব দেশের বিশ্বাসঘাতকতা কেউ ভুলবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

লারিজানি বলেন, সিরিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন এবং ফ্রান্সের বর্বরোচিত হামলা আন্তর্জাতিক আইনের মারাত্মক লঙ্ঘন। এ হামলার প্রতি ইসরাইলের পাশাপাশি কিছু মুসলিম দেশও সমর্থন দেয়ায় লারিজানি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

তিনি প্রশ্ন করেন, মুসলমানদের ঐক্যের দিন হিসেবে পরিচিত মোহাম্মদ সা. র পবিত্র নব্যুয়ত প্রাপ্তি দিবসে ইসলাম ধর্ম বিরোধী নেতা এবং ইসরাইলের পাশে দাঁড়ানো কী তাদের জন্য লজ্জা ও অপমানজনক নয়?

গত শনিবার সিরিয়ায় মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক হামলার দিন সারা বিশ্বের মুসলমানরা নব্যুয়ত প্রাপ্তি দিবস পালন করেছে।

সিরিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পূর্ণ সমর্থনকারী দেশ বিশেষ করে ইসরাইল এবং পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সৌদি আরব, বাহরাইন এবং কাতারও যোগ দিয়েছে।

বিভিন্ন মতবিরোধে বিভক্ত ২২ সদস্যের আরব লীগ যখন রোববার সৌদি আরবের দাহরান শহরে শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হতে যাচ্ছে এর কয়েক দিন আগে সিরিয়ায় হামলা চালানো হলো।

লারিজানি বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মুসলিম ঐক্য এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিদার দেশগুলো একদিকে সন্ত্রাসীদের সমর্থন দিচ্ছে এবং অন্যদিকে মুসলিম জাতিগুলোর ওপর হামলায় ইসলাম বিরোধী নেতাদের কাছে নিজেদের সম্পদ বিলিয়ে দিচ্ছে।

কেএল


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ