ইফতেখার জামিল
বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েটরা একেকজন একেক দলের অনুসারী। আলিয়া মাদরাসাও তাই। যদি তাই হয়, তাহলে কওমি মাদরাসার ছাত্রদেরকে কেন কোনো একক দল/নেতার ‘অনুসরণ’ করতে হবে? আমার দেশ আজকে ‘কওমি মাদরাসার’ অভ্যন্তরীণ অনৈক্য নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদকও আমার পরিচিত, তবে প্রশ্ন হচ্ছে, তারা কি একই ধাচের প্রতিবেদন আলিয়া মাদরাসা বা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে করবেন? করবেন না। তাহলে তারা কেন কওমি মাদরাসাকে একটা একক ‘রাজনৈতিক বর্গ’ আকারে কল্পনা করতে চান?
জামিয়াতুল আযহারের শিক্ষকরাও একেকজন একেক রাজনীতিতে অভ্যস্ত। একটা শিক্ষাধারা কখনোই একক রাজনৈতিক নেতৃত্ব-দলান্ধতা চাপিয়ে দিতে পারে না। চাপিয়ে দিলে সেটা আর শিক্ষাধারা হিসেবে ফাংশন করে না। কওমি মাদরাসা এখনো বিশ্বমানের গ্রাজুয়েট প্রডিউস করতে পারে—কারণ তারা এখনো একাডেমিক ইন্টিগ্রিটিটা ধরে রেখেছে, যদিও অনেক মাদরাসার অবস্থাই ভালো নয়।