আতাউর রহমান খসরু
সম্মিলিত কওমি শিক্ষা কমিশন আল-হাইয়াতুল উলয়া লিল-জামিয়াতিল কওমিয়া বাংলাদেশের বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার চট্টগ্রামের দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম হাটহাজারী মাদরাসায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কমিশনের চেয়ারম্যান আল্লামা আহমদ শফী।
তবে বিশেষ এ বৈঠকে ৫ বোর্ডের প্রতিনিধি উপস্থিত হয়নি বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে ৫ বোর্ডের নেতারা বলছেন, গত শনিবার আল্লামা আহমদ শফীর সঙ্গে দেখা করে তারা বৈঠকে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত জানান।
তবে বেফাকের মহাসচিব ও হাইয়াতুল উলয়ার সদস্য মাওলানা আবদুল কুদ্দুস পূর্ব থেকে বৈঠকে ৫ বোর্ডের অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত জানানোর বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
তিনি বলেছেন, জানালে আমরা এ বৈঠক বাতিল করতাম। খালি খালি কষ্ট করে চট্টগ্রাম যেতাম না।
এদিকে আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদের নেতৃত্বাধীন দীনি মাদরাসার শিক্ষাবোর্ডের মহাসচিব মুফতী মোহাম্মদ আলী দাবি করেছেন, তাদের (৫ বোর্ড) বৈঠকে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত তিনি নিজে হাইয়াতুল উলয়ার দফতর সম্পাদক মাওলানা অসিউর রহমানকে জানিয়েছেন।
এবং তিনি বিষয়টি আল্লামা আশরাফ আলীকে জানানোর কথা তাকে নিশ্চিত করেছেন।
তবে ৫ বোর্ডপ্রতিনিধিগণ অংশগ্রহণ না করলেও যথা নিয়মে বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে এবং এক বোর্ডের মাদরাসা অন্য বোর্ডে যেতে পারবে না মর্মে পূর্বের সিদ্ধান্ত বহাল আছে বলে জানান বেফাক মহাসচিব।
মূলত বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকের সঙ্গে অন্য ৫ বোর্ড নানান বিষয়ে একমত হতে পারছে না।
পাঁচ বোর্ডের নেতারা হাইয়াতুল উলয়া গঠনতন্ত্রে ৩টি মৌলিক পরিবর্তের দাবির কথা বলছেন। এগুলো হলো, ক. তাদের একজন কো-চেয়ারম্যান দেয়া, খ. চেয়ারম্যান কর্তৃক কো-অপ্ট সদস্যদের ভেতর ৫ বোর্ড থেকে প্রতিনিধি রাখা, গ. হাইয়ার বৈঠকের কোরাম পূরণের জন্য ৫ বোর্ডের প্রতিনিধির উপস্থিতি শর্ত করা।
উল্লেখিত ৩ দাবির ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বেফাক মহাসচিব মাওলানা আবদুল কুদ্দুস আওয়ার ইসলামকে বলেন, এসব বিষয়ে হাটহাজারীর আগের বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে। আজ এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয় নি।
আওয়ার ইসলামকে আজকের বৈঠকে অংশগ্রহণ না করার কারণ তুলে ধরেন মাওলানা এনামুল হক। তিনি সিলেট আযাদ দ্বীনী এদারায়ে তালীমের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পদক।
বলেন, আজকের বৈঠকের ব্যাপারে আà