শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা আবেগ নয়, বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিন ১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে? বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে

বাংলাদেশে শায়খ মাদানি রহ.-এর জীবিত চার খলিফার পরিচিতি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মুফতি আখতার ফয়জী: সাইয়্যেদ হুসাইন আহমদ মাদানি (৬ অক্টোবর ১৮৭৯ - ১৯৫৭) ছিলেন ভারত উপমহাদেশের একজন ইসলামিক স্কলার। হাদিস ও ফিকহে তার পান্ডিত্যের জন্য তাকে শাইখুল ইসলাম উপাধি দ্বারা সম্বোধন করা হয়।

হুসাইন আহমেদ মাদানি উত্তর প্রদেশের উন্নাও জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা সাইয়িদ হাবিবুল্লাহ একজন শিক্ষক ছিলেন।

১৮৯২ সালে তিনি দারুল উলুম দেওবন্দে ভর্তি হন। এখানে তিনি মাওলানা মাহমুদুল হাসান রহ. এর অধীনে পড়াশোনা করেন। পড়াশোনা শেষ করে তিনি মাওলানা রশিদ আহমদ গাঙ্গোহি রহ. এর শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন।

মাওলানা রশিদ আহমদ গাঙ্গোহি রহ. ছিলেন মাওলানা মাহমুদুল হাসান রহ. এর পীর। সাইয়েদ হুসাইন আহমদ মাদানি রহ.কে মাওলানা মাহমুদুল হাসান বলেছিলেন শায়খ রশিদ আহমদ গাঙ্গোহি রহ. এর শিষ্য হতে।

তার মাধ্যমে শায়খ হুসাইন আহমদ মাদানির আধ্যাত্মিক শাখা আলাউদ্দিন সাবিরি কালিয়ারি রহ. পর্যন্ত পৌছায় যিনি চিশতি তরিকার চিশতি-সাবিরি শাখার মূল ছিলেন।

তার আধ্যাত্মিক শাখা নকশবন্দি তরিকার সাথেও যুক্ত কারণ মাওলানা সাইয়েদ হুসাইন আহমদ মাদানি একজন পূর্ববর্তী পীর নকশবন্দি তরিকার অনুসারী সৈয়দ আহমদ শহীদের শিষ্য ছিলেন। তাই শায়খ হুসাইন আহমদ নকশবন্দিয়া ও চিশতি উভয় তরিকার সাথে যুক্ত ছিলেন। তবে তিনি মূলত চিশতি-সাবিরি মতের সাথে যুক্ত ছিলেন।

হজরত শায়খুল ইসলাম হুসাইন আহমদ মাদাসি রহ.-এর বাংলাদেশে জীবিত চার খলিফার সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

(১) আল্লামা শাহ আহমদ শফী।

জন্মস্থান: রাঙ্গুনিয়া চট্রগ্রাম। মহাপরিচালক ও শাইখুল হাদীস হাটহাজারী মাদরাসা। বাংলাদেশ কওমী মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়ার চেয়ারম্যান। হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর।

(২) আল্লামা শায়খ আবদুল মোমিন।

জন্মস্থান: হবিগঞ্জের পুরানগাঁও (ইমামবাড়ী)। শাইখুল হাদীস-বৃহত্তর সিলেটের কয়েকটি মাদরাসার। সভাপতি জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ।

(৩) আল্লামা শায়খ মুহাম্মদ নোমান।

জন্মস্থান: আলামদার পাড়া পটিয়া, চট্রগ্রাম। ঢাকা আশারাফুল উলূম বড় কাটরা, চট্রগ্রাম মোজাহেরুল উলূম, বান্দরবান মাদরাসার সাবেক উস্তাদ। বর্তমান শাইখুল হাদীস নূতনভাগ মাদরাসা ঢাকা।

(৪) মাওলানা আবদুল হালিম।

জন্মস্থান: পীরখাইন আনোয়ারা, চট্রগ্রাম। চট্রগ্রামের কয়েকটি মাদরাসায় শিক্ষকতা করে অবসর গ্রহণ করেছেন। বর্তমান বাড়ি তেয়ারিখিল পদুয়া, লোহাগাড়া,চট্রগ্রাম।

রাব্বে কারিমের দরবারে মাদানি রহ.-এর সর্বশেষ জীবিত এই চার খলিফার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি। একই সঙ্গে তাদের নেক ও দূরদৃষ্টি যেন দেশকে সঠিক পথে পরিচালনা করে সেই কামনা করছি।

লেখক: প্রধান, মুফতি জামিয়া মাদানিয়া রওজাতুল উলূম কুমিল্লা


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ