শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে মাঝপথে ইঞ্জিন বিকল, আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে বলাকা কমিউটারের যাত্রা জিয়া সরণি খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা পাকিস্তানে পৌঁছেছে মার্কিন প্রতিনিধিদল তাপমাত্রা বাড়ার ইঙ্গিত, সপ্তাহের মাঝামাঝি বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস কৃষক-ভোক্তার সরাসরি সংযোগে স্বস্তি আসবে বাজারে: বাণিজ্যমন্ত্রী গুজব ও যাচাইবিহীন তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকুন: কাবার ইমাম

এরাই হবে শিল্পসাহিত্যে আগামীর জমিদার

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আহমাদ হাবীব
তরুণ লেখক

ভাষা নিয়ে, লেখালেখি নিয়ে মাদরাসার ছাত্রদের কাজ এবং উদ্যোগগুলো সত্যিই প্রশংসারর দাবিদার। গড়ে প্রায় ৮০ ভাগ মাদরাসা থেকে নিয়মিত মাসিক, দ্বিমাসিক, ত্রৈমাসিক এবং ষান্মাসিক পত্রিকা বের হয়। বছরে দু'বার প্রকাশিত হয় হাতে লেখা দেয়াল পত্রিকা।

প্রতিবছর বইমেলাও মাতিয়ে রাখছে এসব তরুণেরা। সফেদ পাঞ্জাবি-টুপির মিছিল দীর্ঘ থেকে দীর্ঘ হচ্ছে দিনদিন। শুভ্রতার আমেজ ছড়িয়ে পড়ছে মেলাজুরে। মেলা থেকে সংগৃহীত বইয়ের ভারে নুইয়ে পড়া ছেলদের আশ যেন মিটে না। ঘুরতে থাকে স্টল থেকে স্টলে।

হিসেব কষতে থাকে আর কোন বই কেনা দরকার। আবার সেসব বই পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় কী চমৎকার রিভিও লেখে একেকজনে। উদ্বুদ্ধ করে বহুজনকে।

মাদরাসার এসব তরুণ যে শুধু বই পড়ে, তা-ই নয়! বই লিখে মেলায় হইচইও ফেলে দেয়। কয়েকবছর যাবৎ যে হারে তাদের বই মেলায় আসছে তা রীতিমত অবাক কাণ্ড!

সাহিত্যের এমন কোন শাখা নাই, যেখানে এদের পদচারণা নাই। গল্প, ছড়া, কবিতা, ফিচার, ভ্রমণ, উপন্যাস, ইতিহাস-ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, অনুবাদ, থ্রিলার; মোট কথা আপনি যা চাইবেন সে বিষয়ে তরুণদের লেখা অসংখ্য বই পাবেন।

শুধু তাই না, খোঁজ নিয়ে দেখুন- এদের বইগুলোই বিক্রি হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। রকমারিসহ অনলাইন বুকশপগুলোতে দেখুন- এদের বই বেস্ট সেলার।

আমার এমনও তরুণের কথা জানা আছে, একমেলায়ই যাদের বই দুইতিনবার ছাপা হয়েছে, ফুরিয়ে যাওয়ার কারণে। কারণ লেখালেখি, ভাষা ও সাহিত্যচর্চায় এদের যে আত্নত্যাগ, কঠোর পরিশ্রম এবং পাঠের গভীরতা; তা বিস্ময় করার মত। এদের ভাষাশৈলি ও বাক্যের কাঠামো বেশ সুন্দর ও মজবুত। আর বর্ণনাভঙ্গি? আপনি নিশ্চিত থাকুন আপনাকে টানবে।

আমি হলফ করে বলতে পারি- ভাষাচর্চা ও লেখালেখিতে মাদরাসার ছাত্রদের উপস্থিতি এবং কর্মকৌশল যেভাবে বাড়ছে, সেদিন বেশি দূরে নয়, যেদিন এদেশের ভাষা ও শিল্প-সাহিত্যের নেতৃত্ব এদের হাতেই চলে আসবে, এবং এরাই হবে তার জমিদার। এরাই ঘটাবে নতুন বিপ্লব ।

বেফাকের কাউন্সিল: প্রত্যাশা পূরণ হলো কতটুকু?


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ