শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
হাজিদের সেবায় সুনাম কুড়াচ্ছে আল-মিনহাজ হজ ট্রাভেলস পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমরা আবেগ নয়, বাস্তবতাকে প্রাধান্য দিন ১৯৭৯ সালের পর ওয়াশিংটন-তেহরানের প্রথম উচ্চপর্যায়ের বৈঠক আজ, কী হতে চলেছে ইসলামাবাদে? বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী

মিশরে সাড়ে ৪ হাজার বছরের পুরনো সমাধির সন্ধান

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পিরামিড, মমি, প্রাচীন মন্দির, স্থাপনা, মূর্তি আবিষ্কার করতে করতে পুরো বিশ্বের অনেকটা ধারণাই হয়ে গিয়েছিল, মিশরে বোধহয় নতুন করে আর আবিষ্কারের কিছু বাকি নেই। কিন্তু সেই ধারণাকে ভুল করে দিয়ে পুরাতত্ত্ববিদেরা খুঁজে বের করলেন আরও একটি সমাধি, যার বয়স প্রায় সাড়ে চার হাজার বছর

মিশরের পুরাতত্ত্ব মন্ত্রণালয় শনিবার এ তথ্য নিশ্চিত করে জানায়, রাজধানী কায়রোর ঠিক বাইরে গিজা মালভূমির বিশ্বখ্যাত পিরামিডগুলোর কাছাকাছিই অবস্থিত এই নব আবিষ্কৃত সমাধিক্ষেত্র।

গিজার পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত বিশাল সমাধি অঞ্চলের বাইরের দিকে পাওয়া গেছে এই সমাধিটি। এই এলাকা মূলত প্রাচীন মিশরীয় সাম্রাজ্যের সমাধিস্থল হিসেবেই বেশি পরিচিত। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুসারে, নতুন সমাধিটি হেতপেত নামের এক নারী রাজ পুরোহিতের। ধারণা করা হচ্ছে, প্রাচীন পঞ্চম রাজবংশীয়দের খুব কাছের একজন ছিলেন এই হেতপেত।

আর সমাধিক্ষেত্রটি তৈরি হয়েছে আজ থেকে প্রায় ৪ হাজার ৪শ’ বছর আগে, অর্থাৎ খ্রিস্টপূর্ব ২৩শ’ অব্দের দিকে। গত শনিবারই সমাধিক্ষেত্রটি গণমাধ্যমের সামনে প্রথমবারের মতো তুলে ধরা হয়। পুরো স্থাপনাটি নির্মিত হয়েছে মাটির তৈরি ইট দিয়ে। দেয়ালগুলো জুড়ে রয়েছে নানা রকম প্রাচীন চিত্রকর্ম, যার বেশিরভাগই প্রায় অক্ষত অবস্থায় আছে। এমনকি ছবিগুলোর রঙও এখনো পরিষ্কার।

হেতপেত ছিলেন উর্বরতার দেবী হাথরের পুরোহিত। তাই সমাধির বিভিন্ন দেয়ালে আঁকা চিত্রকর্মে হেতপেতকে দেখা গেছে শিকার আর মাছ ধরার কাজে উপস্থিত থাকতে। মিশরীয় ফারাওদের সময় প্রায়ই পোষাপ্রাণী হিসেবে থাকত বানর। তাই চিত্রকর্মগুলোর কোথাও দেখা গেছে ফল কুড়াতে, কোথাও দেখা গেছে নাচতে। পুরাতত্ত্ব মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই প্রত্নতাত্ত্বিক খনন শুরু হয়েছিল গত নভেম্বরে। খনন অভিযানের প্রধান মোস্তফা আল-ওয়াজিরি আশা করছেন, আরও অনেক কিছু বাকি আছে সেখানে আবিষ্কার করার। মিশর সরকারের আশা, নতুন আবিষ্কারের ফলে দেশটির ভাটা পড়া পর্যটন শিল্পে নতুন জোয়ার আসবে।

সূত্র: মিডিলিস্ট মনিটর

/এটি


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ