সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২০ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের নির্দেশ শিশুদের মতো আদর-যত্নে গাছের পরিচর্যার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  কুমিল্লা জেলার দ্বীনিয়াত মুআল্লিম জোড় সম্পন্ন কেন্দ্রীয় নূরানী তালীমুল কুরআন মাদরাসার উস্তাদ আব্দুল জলিলের ইন্তেকাল ইউরোপে তীব্র তাপপ্রবাহে এক সপ্তাহে ১০ হাজার মৃত্যু বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে পাশে থাকার আহ্বান জাতীয় ইমাম পরিষদের ‘বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা ছিল দেশের স্বার্থে, পদ-পদবি পাওয়ার জন্য নয়’ সন্ধ্যার মধ্যে ১৯ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা  মুসলিম আন্দালুসের কৃষি বিপ্লব: স্বর্ণযুগের গৌরবগাথা

দেশের কয়েকটি স্থানে ৪.৬ মাত্রায় ভূমিকম্প

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার ইসলাম :  দেশের বিভিন্ন স্থানে হঠাৎ মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ৪ দশমিক ৬ মাত্রায় ভূমিকম্পটি ভারতের আসামে উৎপত্তিস্থল বলেও জানা যায়।

এরমধ্যে, রংপুর, দিনাজপুর, লালমনিরহাট ও নীলফামারীসহ দেশের কয়েকটি স্থানে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।

শনিবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে হঠাৎ করে থর থর করে কেপে ওইসব এলাকা। এ কম্পনের স্থায়ীত্বকাল ছিল প্রায় ৮ সেকেন্ড।

এছাড়া, উত্তরাঞ্চলের বেশ কয়েকটি জেলায় এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত ভোররাতে ভূমিকম্প হয়েছে বলে জানা যায়। তাবে এ ঘটনায় কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
সকালের প্রচন্ড শীতে কম্পনের সময় লোকজন ঘুমিয়ে থাকায় জনসাধারণের মাঝে তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়নি।

তবে সকালে রাস্তায় বেড়িয়ে আসা ও জেগে থাকা মানুষের মাঝে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। অনেককে বাড়ি ঘর ছেড়ে খোলা জায়গায় যেতে দেখা যায়।

এর আগে ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে ভারতের মণিপুর রাজ্যের রাজধানী ইম্ফল থেকে ৩৩ কিলোমিটার পূর্ব-উত্তর-পূর্বে এবং ২০১৫ সালের এপ্রিল থেকে মে মাসে নেপালে বেশ কয়েকটি বড় মাত্রার ভূমিকম্প হয়। এতে আট হাজারের বেশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। আর এ ভূকম্পনে কেঁপে ওঠে বাংলাদেশও।

এতে বাংলাদেশে কোনো প্রাণহানির ঘটনা না ঘটলেও দেশের বিভিন্ন স্থানে বহুতল ও পুরাতন ভবনে ফাটল দেখা দেয়; আতঙ্কে মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় বের হয়ে আসে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশও বেশ বড় মাত্রার ভূমিকম্প ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

প্রসঙ্গত, রিখটার স্কেলে ৪ থেকে ৪ দশমিক ৯ মাত্রার কম্পনকে মৃদু ভূম্পিকম্প হিসেবে ধরা হয়। আর ৫ থেকে ৫ দশমিক ৯ মাত্রাকে ‘মাঝারি’, ৬ থেকে ৬ দশমিক ৯ মাত্রা হলে ‘শক্তিশালী’, ৭ থেকে ৭ দশমিক ৯ মাত্রাহলে ‘ভয়াবহ’ এবং ৮ বা এর বেশি মাত্রায় ভূমিকম্প হলে এক ‘অত্যন্ত ভয়াবহ’ ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচনা করা হয়।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ