সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২০ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের নির্দেশ শিশুদের মতো আদর-যত্নে গাছের পরিচর্যার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  কুমিল্লা জেলার দ্বীনিয়াত মুআল্লিম জোড় সম্পন্ন কেন্দ্রীয় নূরানী তালীমুল কুরআন মাদরাসার উস্তাদ আব্দুল জলিলের ইন্তেকাল ইউরোপে তীব্র তাপপ্রবাহে এক সপ্তাহে ১০ হাজার মৃত্যু বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে পাশে থাকার আহ্বান জাতীয় ইমাম পরিষদের ‘বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা ছিল দেশের স্বার্থে, পদ-পদবি পাওয়ার জন্য নয়’ সন্ধ্যার মধ্যে ১৯ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা  মুসলিম আন্দালুসের কৃষি বিপ্লব: স্বর্ণযুগের গৌরবগাথা

কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের বিক্ষোভ, ৬ দফা পূরণ না হলে ফিরব না

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে ছয় দফা দাবি নিয়ে বিক্ষোভ করেছে কক্সবাজারের কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের শরণার্থীরা। তারা কয়েক দফা বিক্ষোভ করেছে বলে জানা গেছে। ছয় দফা দাবি পূরণ না হলে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফেরত যাবে না বলেও ওই বিক্ষোভ থেকে ঘোষণা দেয়া হয়। জুমার নামাজের পরে কুতুপালং নতুন রোহিঙ্গা শিবিরের কয়েকটি ব্লকের রোহিঙ্গা নারী-পুরুষরা ছয়টি দাবি সম্বলিত হাতে লেখা ব্যানার নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। দাবিগুলো হলো-

এক. আরকানে রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নিরাপত্তা দিতে হবে। ‘সেফ জোন তথা নিরাপদ অঞ্চল’ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
দুই. মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের আগে আরাকানে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পর্যবেক্ষণ অফিস খুলতে হবে।
তিন. প্রত্যাবাসনের আগে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে মেনে নিতে হবে।
চার. রোহিঙ্গাদের উপর আরাকান রোহিঙ্গা সলভেশন আর্মি-আরসা’র তাকমা লাগানো যাবে না।
পাঁচ. প্রত্যাবাসনের আগে রোহিঙ্গাদের সকল মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। এবং,
ছয়. রোহিঙ্গাদের উপর যে গণহত্যা চালানো হয়েছে তার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার করতে হবে।

এই ছয় দাবি মানা না হলে একজন রোহিঙ্গাও ফেরত যাবে না বলে বিক্ষোভকারীরা হুঁশিয়ারি দেন। তারা বলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমার যে চুক্তি হয়েছে, তাতে রোহিঙ্গাদের দাবির প্রতিফলন হয়নি।

প্রসঙ্গত, রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে দু’দিন আগে দুই দেশ একটি চুক্তি সই করেছে। অবশ্য এই চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য মাঠপর্যায়ে এখনো দৃশ্যমান কোনো প্রক্রিয়া শুরু হয়নি।

তবে রোহিঙ্গাদের বিক্ষোভের কথা অস্বীকার করেছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার চাই লাও মার্মা। তিনি দাবি করেন, রোহিঙ্গারা কোনো ধরনের বিক্ষোভ করেনি। পরিবর্তন ডটকম।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ