মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

এবার লেকে ভাসল রোবট রাজহাঁস!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

অাওয়ার ইসলাম
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পানির মান পরীক্ষা করার জন্য পাঁচটি রোবট হাঁস দেশের প্রধান জলাধারে ছেড়ে দিয়েছে সিঙ্গাপুর কর্তৃপক্ষ। সিঙ্গাপুর শহরে পানি সরবরাহের প্রধান হ্রদে ভেসে বেড়ানো এবং পানির মানের দিকে নজর রাখাই হবে এসব রোবট হাঁসের কাজ। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হবে, পানি পরীক্ষার জন্য এখন থেকে বিজ্ঞানীদের আর জলাধারে যেতে হবে না। খবর চ্যানেল নিউজ এশিয়া ও বিবিসির।

চ্যানেল নিউজ এশিয়ার বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, এ ধরনের পাঁচটি যান্ত্রিক হাঁস ইতোমধ্যেই পানিতে ভাসিয়ে দিয়েছে সিঙ্গাপুর কর্তৃপক্ষ। এই রোবট হাঁসগুলো নির্মাণ করা হয়েছে এমনভাবে যেন হ্রদের অন্যান্য রাজহাঁসের মধ্যে এগুলো মিশে যেতে পারে। হাঁসের ঝাঁকের সঙ্গে মিশে এই রোবটগুলো ঘুরে বেড়াবে। কিন্তু রোবটের তলায় থাকবে প্রপেলার এবং পানি পরীক্ষার যন্ত্র।

পানি পরীক্ষার পর ওয়্যারলেস প্রযুক্তির মাধ্যমে তৎক্ষণাৎ পরীক্ষার ফলাফল পৌঁছে দেয়া হবে কর্তৃপক্ষের কাছে। এই 'সোয়ানবট'গুলো তৈরি করেছে যে বিজ্ঞানীরা তাদের একজন হলেন সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ম্যানডার চিট্রে। তিনি জানান প্রথমে তারা ছোট পাখির মডেল বেছে নিয়েছিলেন। কিন্তু আকৃতিতে বড় বলে তারা রাজহাঁসের রোবট বানানোর সিদ্ধান্ত নেন।

তিনি আরও জানান, এই রোবটগুলো এমনভাবে বানানো হয়েছে যাতে ছোট নৌকা, ডিঙ্গি বা কায়াকের আঘাত লাগলেও এদের কোন ক্ষতি হবে না।

‘স্মার্ট ওয়াটার অ্যাসেসমেন্ট নেটওয়ার্ক’ (SWAN) নামক এই রোবট রাজহাঁসগুলো এমনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে যেন হ্রদের অন্যান্য রাজহাঁস ও সেখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশের সঙ্গে এগুলো মিশে যেতে পারে। হাঁসের ঝাঁকের সাথে মিশে এই রোবটগুলো ঘুরে বেড়াবে। কিন্তু রোবটের তালায় থাকবে প্রপেলার এবং পানি পরীক্ষার যন্ত্র।

পানি পরীক্ষার পর তাৎক্ষনিকভাবে তথ্য তারবিহীন প্রযুক্তির মাধ্যমে কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেয়া হবে। এতে করে আর বিজ্ঞানীদের নৌকায় করে গিয়ে ম্যানুয়ালি পানির নমুনা সংগ্রহ করতে হবে না।

এই সোয়ান বট গুলো তৈরি করেছেন যে বিজ্ঞানীরা তাদের একজন হলেন সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ম্যানডার চিট্রে। তিনি জানান, জলের তলায় এই রোবট রাজহাঁসের অনেক কাজ।

অধ্যাপক ম্যানডার চিট্রে জানান, প্রথমে তারা ছোট পাখির মডেল বেছে নিয়েছিলেন। পরে সিদ্ধান্ত বদলে আকৃতিতে বড় রাজহাঁসের রোবট বানানোর সিদ্ধান্ত নেন।

এই রোবটগুলো এমনভাবে বানানো হয়েছে যাতে ছোট নৌকা, ডিঙ্গি বা কায়াকের আঘাত লাগলেও এদের কোন ক্ষতি হবে না।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রোবট রাজহাঁসগুলো এখন সিংগাপুরের ম্যারিনা, পুংগল, সেরাংগুন, পানদান এবং ক্রাঞ্জি জলাধারে বিচরণ করছে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ