সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২০ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের নির্দেশ শিশুদের মতো আদর-যত্নে গাছের পরিচর্যার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  কুমিল্লা জেলার দ্বীনিয়াত মুআল্লিম জোড় সম্পন্ন কেন্দ্রীয় নূরানী তালীমুল কুরআন মাদরাসার উস্তাদ আব্দুল জলিলের ইন্তেকাল ইউরোপে তীব্র তাপপ্রবাহে এক সপ্তাহে ১০ হাজার মৃত্যু বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে পাশে থাকার আহ্বান জাতীয় ইমাম পরিষদের ‘বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা ছিল দেশের স্বার্থে, পদ-পদবি পাওয়ার জন্য নয়’ সন্ধ্যার মধ্যে ১৯ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা  মুসলিম আন্দালুসের কৃষি বিপ্লব: স্বর্ণযুগের গৌরবগাথা

কুরআন-হাদিসে পাওয়া পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ফল ও সবজি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মূল: ড. করিমা বার্নস অনুবাদ: মুহাম্মদ মাঈন উদ্দিন

আধুনিক মুসলমানরা বিভিন্ন বই-পত্র এবং ম্যাগাজিন ঘেঁটে তন্ন তন্ন করে খুঁজে বেড়ান কোন কোন খাদ্য স্বাস্থ্যসম্মত। এক্ষেত্রে আমি বলব, কুরআন ও হাদিসে অনেক খাদ্যের কথা উল্লেখ করা আছে যেগুলো আমাদের আদর্শ খাদ্য তালিকায় অর্ন্তভূক্ত করতে পারি।

বুখারিতে এসেছে, তরমুজ নবিজির সা. অন্যতম প্রিয় ফল ছিল। তরমুজে রয়েছে ভিটামিন সি এবং বিটা-ক্যারোটিন। উপরন্তু, অর্ধেক তরমুজে রয়েছে ৮২৫ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম। তরমুজে ফলেটও রয়েছে।

কুরআন ও হাদিস মতে কমলা একটি প্রিয় ফল। নবিজি সা. বলেন, ‘যে মুমিন কুরআন পড়ে তার দৃষ্টান্ত কমলা লেবুর মতো।’

বাস্তবতাও হলো, কমলার অনেক পুষ্টি গুণ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্যটি হচ্ছে ভিটামিন সি। ব্রাজিলিয়ান গবেষকরা কমলার মধ্যে হেসপারিডিনের অস্তিত্ব পেয়েছেন যা পেটের দাহ্য কমাতে সহায়ক।

কমলায় আরও রয়েছে লিমোনিনি। ইউনিভার্সিটি অব উইসকন্সিন মেডিক্যাল স্কুলের হিউম্যান অনকোলজির প্রফেসর মাইকেল গোল্ডের মতে, লিমোনো এমন এক উপাদান যা ক্যান্সারের জীবাণুকে ধ্বংস করে।

খেজুর একটি ভাল মানের খাবার। খেজুরের রস ফ্লেভেনয়েডসের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস যা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় এবং কলেস্টরল কমিয়ে রাখে। এটা হার্টের রোগের বিরুদ্ধেও লড়াই করে।

সাম্প্রতিককালের গবেষণার ফল হলো, আঙ্গুরের রসেও ফ্লেভেনয়েডস রয়েছে। আর আঙ্গুরের রস সব জায়গায় পাওয়া যায়।

সবজির মধ্যে মহানবি সা. কদু বিষেশভাবে পছন্দ করতেন। বুখারির  এক হাদিসে এসেছে ইবনে মালিক রা. বলেন, ‘একজন দর্জি নবিজি সা. কে দাওয়াত করলে আমিও নবিজি সা. এর সাথে যাই। দর্জি রুটির সাথে কদু এবং গোশতের তরকারি পরিবেশন করল। আমি দেখলাম নবিজি পাত্র থেকে কদুর টুকরোগুলো তুলে নিচ্ছেন। সেই থেকে আমিও কদু পছন্দ করা শুরু করলাম।’

ইউনিভার্সিটি অব নর্দান ক্যারোলিনা স্কুল অব মেডিসিনের ইমার্জেন্সি মেডিসিন বিভাগের ভাইস চেয়ারম্যান এবং এসোসিয়েট প্রফেসর ডেক্সটার এল. মরিস (এমডি, পিএইচডি) বলেন, ‘কদুর মধ্যে এই পরিমাণ ভিটামিন, মিনারেল এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান রয়েছে যে বিজ্ঞানীরা এর উপশম ক্ষমতা নির্ণয়ের মাত্রা নির্ধারণ করতে শুরু করে ‍দিয়েছেন।

সূত্র: অ্যাবাউট ইসলাম

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ