মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।। ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ ।। ২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮

শিরোনাম :
দিন শেষ হয়ে এলে  এইচএসসির ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় ২৫–২৯ অক্টোবর টঙ্গীতে ২৪ ঘণ্টায় পানিতে ডুবে সহোদরসহ ৪ শিশুর মৃত্যু   সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার আহ্বান দূতাবাসের মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বসে থাকবে না বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ রিয়াদে হামলার নিন্দা, ওমরাহযাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আমিরে মজলিসের উচ্চস্বরে আজানের অভিযোগে ভারতে মুয়াজ্জিন গ্রেপ্তার, মাইক জব্দ উগ্রবাদ মোকাবিলায় শুধু নিন্দা নয়, সচেতন মন গঠন জরুরি: মিসরের গ্র্যান্ড মুফতি পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১ হাজার ৪৪ ভরি স্বর্ণ, ১ হাজার ৮৮ ভরি রুপা মদিনায় ইফতার সরবরাহে ক্যাটারিং প্রতিষ্ঠানের আবেদন আহ্বান

কুরআন-হাদিসে পাওয়া পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ফল ও সবজি

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

মূল: ড. করিমা বার্নস অনুবাদ: মুহাম্মদ মাঈন উদ্দিন

আধুনিক মুসলমানরা বিভিন্ন বই-পত্র এবং ম্যাগাজিন ঘেঁটে তন্ন তন্ন করে খুঁজে বেড়ান কোন কোন খাদ্য স্বাস্থ্যসম্মত। এক্ষেত্রে আমি বলব, কুরআন ও হাদিসে অনেক খাদ্যের কথা উল্লেখ করা আছে যেগুলো আমাদের আদর্শ খাদ্য তালিকায় অর্ন্তভূক্ত করতে পারি।

বুখারিতে এসেছে, তরমুজ নবিজির সা. অন্যতম প্রিয় ফল ছিল। তরমুজে রয়েছে ভিটামিন সি এবং বিটা-ক্যারোটিন। উপরন্তু, অর্ধেক তরমুজে রয়েছে ৮২৫ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম। তরমুজে ফলেটও রয়েছে।

কুরআন ও হাদিস মতে কমলা একটি প্রিয় ফল। নবিজি সা. বলেন, ‘যে মুমিন কুরআন পড়ে তার দৃষ্টান্ত কমলা লেবুর মতো।’

বাস্তবতাও হলো, কমলার অনেক পুষ্টি গুণ রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্যটি হচ্ছে ভিটামিন সি। ব্রাজিলিয়ান গবেষকরা কমলার মধ্যে হেসপারিডিনের অস্তিত্ব পেয়েছেন যা পেটের দাহ্য কমাতে সহায়ক।

কমলায় আরও রয়েছে লিমোনিনি। ইউনিভার্সিটি অব উইসকন্সিন মেডিক্যাল স্কুলের হিউম্যান অনকোলজির প্রফেসর মাইকেল গোল্ডের মতে, লিমোনো এমন এক উপাদান যা ক্যান্সারের জীবাণুকে ধ্বংস করে।

খেজুর একটি ভাল মানের খাবার। খেজুরের রস ফ্লেভেনয়েডসের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস যা ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায় এবং কলেস্টরল কমিয়ে রাখে। এটা হার্টের রোগের বিরুদ্ধেও লড়াই করে।

সাম্প্রতিককালের গবেষণার ফল হলো, আঙ্গুরের রসেও ফ্লেভেনয়েডস রয়েছে। আর আঙ্গুরের রস সব জায়গায় পাওয়া যায়।

সবজির মধ্যে মহানবি সা. কদু বিষেশভাবে পছন্দ করতেন। বুখারির  এক হাদিসে এসেছে ইবনে মালিক রা. বলেন, ‘একজন দর্জি নবিজি সা. কে দাওয়াত করলে আমিও নবিজি সা. এর সাথে যাই। দর্জি রুটির সাথে কদু এবং গোশতের তরকারি পরিবেশন করল। আমি দেখলাম নবিজি পাত্র থেকে কদুর টুকরোগুলো তুলে নিচ্ছেন। সেই থেকে আমিও কদু পছন্দ করা শুরু করলাম।’

ইউনিভার্সিটি অব নর্দান ক্যারোলিনা স্কুল অব মেডিসিনের ইমার্জেন্সি মেডিসিন বিভাগের ভাইস চেয়ারম্যান এবং এসোসিয়েট প্রফেসর ডেক্সটার এল. মরিস (এমডি, পিএইচডি) বলেন, ‘কদুর মধ্যে এই পরিমাণ ভিটামিন, মিনারেল এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান রয়েছে যে বিজ্ঞানীরা এর উপশম ক্ষমতা নির্ণয়ের মাত্রা নির্ধারণ করতে শুরু করে ‍দিয়েছেন।

সূত্র: অ্যাবাউট ইসলাম

আরআর


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ