সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
বন্যাকবলিত ১১ জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের ছুটি বাতিল পাঁচ বছরে মদিনা জিয়ারত করলেন সাড়ে ১২ কোটি ওমরাহ যাত্রী বন্যা দুর্গতদের পাশে দাঁড়াতে চট্টগ্রামে গেলেন আমিরে মজলিস ইসলামাবাদে শীর্ষ আলেমদের সম্মেলনে মুসলিম ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২০ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের নির্দেশ শিশুদের মতো আদর-যত্নে গাছের পরিচর্যার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  কুমিল্লা জেলার দ্বীনিয়াত মুআল্লিম জোড় সম্পন্ন কেন্দ্রীয় নূরানী তালীমুল কুরআন মাদরাসার উস্তাদ আব্দুল জলিলের ইন্তেকাল ইউরোপে তীব্র তাপপ্রবাহে এক সপ্তাহে ১০ হাজার মৃত্যু

শীতে কাঁপছে রোহিঙ্গারা

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

ইকবাল আজিজ,টেকনাফ প্রতিনিধি: মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আশ্রিত কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন ক্যাম্পে বেশিরভাগ রোহিঙ্গা জীবনের নিশ্চয়তার পাশাপাশি মাথাগোঁজার ঠাঁই এবং খাদ্য সামগ্রী পেলেও এখনো তাদের ভাগ্যে জোটেনি প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্র।

প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্রের অভাবে শীতে কাঁপছে রোহিঙ্গারা। আঙ্গুন জ্বালিয়ে তাপ নেয়াই হয়ে উঠছে এখন শীত নিবারণের একমাত্র অবলম্বন।

প্রতিরাতে শীত যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে অসহায় মানুষগুলো। ফলে ক্যাম্পগুলোতে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত নানা রোগ-ব্যাধি। কক্সবাজারের রোহিঙ্গা শিবিরে এই শীতের রাতের দৃশ্য এটি। দু’চারজনের ঘরে থাকলেও, অধিকাংশের ঘরেই নেই শীত নিবারণের কম্বল। তাই দিনের বেলায় কুড়ানো লাকড়ির পরিত্যক্ত অংশ জ্বালিয়ে কোনরকমে শীত থেকে বাঁচার উপায় খোঁজার চেষ্টা অসহায় মানুষগুলোর। শীতবস্ত্রের বদলে আগুনই যেখানে শীত নিবারণের একমাত্র ভরসা, সেখানে মানবতা কেঁদে বেড়ায় নীরবে।

প্রতিটি রোহিঙ্গা শিবিরে লাখো মানুষের বাস। এসব ঝুপড়িতে কনকনে রাত পেরিয়ে যখন ভোরের সূর্য আলো ফেলে, তখন যেন প্রাণ ফিরে পায় শীতবস্ত্রহীন রোহিঙ্গারা। ক্যাম্পের ভেতরে ইদানীং বসেছে শীতবস্ত্রের বাজার। হাতে গোণা কিছু রোহিঙ্গা এসব শীতবস্ত্র কিনতে পারলেও বেশিরভাগের ভাগ্যে সান্ত্বনা শুধু দর কষাকষিতেই।

উল্লেখ্য, আগে থেকে আসা ৬ লক্ষাধিক ছাড়াও ২৫ আগস্টের পর থেকে নতুনভাবে কক্সবাজারে আশ্রয় নিয়েছে ৭ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা। যাদের ৯৫ শতাংশই হতদরিদ্র।

এসএস/


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ