শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে মাঝপথে ইঞ্জিন বিকল, আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে বলাকা কমিউটারের যাত্রা জিয়া সরণি খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে জমিয়ত হিন্দের ১৬০ আশ্রয়কেন্দ্র, ৪৫ মসজিদ ও ২০ মকতব

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

হাওলাদার জহিরুল ইসলাম: রাষ্ট্রীয় নির্যাতনের শিকার হয়ে মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া মাজলুম রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য বিভিন্ন ক্যাম্পে জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ এক হাজার আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করেছে৷

জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের নিউ দিল্লির কেন্দ্রীয় অফিস থেকে এক প্রেস রিলিজে আরো বলা হয়েছে, কেবল মুতোছোরা ক্যাম্পেই ১৬০টি আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে৷

জমিয়ত ত্রাণ টিমের অন্যতম সদস্য মাওলানা মাকনুন আহমদ জানিয়েছেন, অনেক শরণার্থী খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছে৷ কনকনে শীতে তাদের অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন৷ মিয়ানমার থেকে প্রায় ৮ লাখ মানুষ বর্তমানে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অবস্থান করছে৷ আমরা অতিরিক্ত শেল্টার হোম নির্মাণের জন্য খুব শিগ্গিরই কাজ শুরু করবো৷

উল্লেখ্য, গত ২৭ সেপ্টেম্বর জমিয়ত সেক্রেটারী জেনারেল মাওলানা সাইয়্যিদ মাহমুদ আসআদ মাদানি  একটি প্রতিনিধি দলসহ কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো পরিদর্শন শেষে ত্রাণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন৷ এরপর থেকে ‘ইসলাহুল মুসলিমিন পরিষদ বাংলাদেশে’র তত্বাবধানে ত্রাণ কার্যক্রম এখনো পর্যন্ত চলমান রয়েছে৷

এ পর্যন্ত তারা প্রায় ৩ কোটি নগদ অর্থ, খাদ্য, তৈজষপত্র, শিশু খাদ্য, গরম কাপড় বিতরণ, ৫০০ টয়লেট+ গোসল খানা নির্মাণ, ১১০টি টিউবওয়েল, ১৫টি ডিপ টিউবওয়েলসহ নানাবিধ সেবামূলক কাজ আঞ্জাম দিয়েছে৷

মানবিক সেবার পাশাপাশি জমিয়ত দীনি খেদমতেও বেশ ভূমিকা রাখছে৷ এ পর্যন্ত ৪৫টি মসজিদ, ২০টি মকতব, ৫টি হিফজখানা ও ৬টি স্কুল নির্মাণ করেছে৷ যেখানে রোহিঙ্গা শিুশুরা নিয়মিত পড়াশুনা করছে৷

জমিয়তের পক্ষ থেকে কক্সবাজারে ২ সপ্তাহ অবস্থান করে ত্রাণ বিতরণকারী মাওলানা হাকিমুদ্দীন কাসেমী এবং মাওলানা আহমদ আবদুল্লাহ বলেছেন, মিয়ানমার সামরিক জান্তা কেবল সেখানকার মুসলমানদের ঘরবাড়ি উজাড় করেছে তাই নয় বরং হাজারও মকতব মাদরাসাও গুড়িয়ে দিয়েছে৷ শত শত ছাত্রকে হত্যা করা হয়েছে৷

যারা জীবন বাঁচাতে পালিয়ে এসেছে তাদের শিক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি ছিলো৷ জমিয়ত সে লক্ষ্যেই সুনির্দিষ্ট পরিকলেপনা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে৷

উর্দু পয়েন্ট


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ