শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে মাঝপথে ইঞ্জিন বিকল, আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে বলাকা কমিউটারের যাত্রা জিয়া সরণি খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা

‘খোদা’ শব্দের সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

‎আবু রায়েদ মুহাম্মাদ: আমরা অনেকেই আল্লাহ সুবহানাহু কে ‘খোদা’ বলে ডাকি। খোদা ফারসি শব্দ।

ব্যাকরণ অনুপাতে ইসমে ফায়েলে তারকিবি। মূলত ছিল খোদ+আ'= খোদা। খোদ অর্থ স্বয়ং, নিজে, আর আ' আমদন মাসদার (উৎসমূল) থেকে সেগায়ে আমর। খোদ আ মানে যে নিজে নিজেই আগমনকারী।

যেহেতু আল্লাহ স্বয়ং অস্তিত্বশীল, তাকে কেউ অস্তিত্ব দেয়নি, তাই তাঁকে ‘খোদা’ বলা হয়। পরে কছরতে এসতে’মাল (অধিক ব্যবহার) এর কারণে তাখফিফ (সহজতা) এর জন্য ‘খোদ’ ( ﺧﻮﺩ ) এর ওয়াওকে বিলুপ্ত করা হয়েছে। হয়েছে খোদা বা ﺧﺪﺍ

(সূত্র: মাআরিবুত তালাবাহ)

আল্লাহকে ‘খোদা’ বলা যাবে কি না? এ ব্যাপারে উলামাগণ লিখেছেন, বলার অবকাশ আছে, তবে ‘আল্লাহ’ বলে ডাকাই শ্রেয়। কারণ ‘আল্লাহ’ শব্দ যে অর্থ, মর্ম ও আবেদন রাখে, সেগুলোর কিঞ্চিতও ‘খোদা’ শব্দে নেই।

(সূত্র: ফাতাওয়ায়ে হক্কানিয়া, আপকে মাসায়েল আওর উনকা হল, কিতাবুল ফাতাওয়া)


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ