শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬ ।। ২৮ চৈত্র ১৪৩২ ।। ২৩ শাওয়াল ১৪৪৭

শিরোনাম :
বায়তুল মোকাররম এলাকায় হকার-ব্যবসায়ীদের সংঘর্ষ পরীক্ষার সময় সিসি ক্যামেরা চালু রাখতে হবে, কোনো অজুহাতে অফ রাখলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ২৭ শিশু ভর্তি রাজনীতিতে যারা ওয়াদা ভঙ্গ করেছে তাদের পরিণতি কিন্তু খুব ভালো হয়নি : নাহিদ ইসলাম হঠাৎ অসুস্থ ত্রাণমন্ত্রী, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে নেওয়া হবে ঢাকায়  ৫ সপ্তাহ পর আল-আকসায় জুমা, মুসল্লিদের ঢল আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা যাদের, নমিনেশনে অগ্রাধিকার তাদের : রিজভী পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু হতে পারে বিকেলে মাঝপথে ইঞ্জিন বিকল, আড়াই ঘণ্টা বিলম্বে বলাকা কমিউটারের যাত্রা জিয়া সরণি খালকে বুড়িগঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করতে বরাদ্দ ৩০০ কোটি টাকা

‘রোহিঙ্গা' শব্দ উচ্চারণ করবেন না পোপ!

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

আওয়ার  ইসলাম:  চলতি মাসেই  ক্যাথলিক চার্চপ্রধান পোপ ফ্রান্সিস বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সফরে এসে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের সর্বশেষ পরিস্থিতি দেখবেন।

তবে এই সফরে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি ব্যবহার না করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে পোপকে। রোহিঙ্গার পরিবর্তে ‘রাখাইন রাজ্যের মুসলিম’ শব্দটি ব্যবহার করার জন্য তাকে বলা হয়েছে।

ক্যাথলিক চার্চ ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী কয়েকজন ব্যক্তি ‘রাজনৈতিক সংবেদনশীলতা’র খাতিরে পোপকে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি ব্যবহার না করার পরামর্শ দিয়েছেন।

অবশ্য রোহিঙ্গাদের ওপর পরিচালিত নির্যাতন ও বর্বরতার ঘটনায় এর আগে রোহিঙ্গা শব্দটি ব্যবহার করেই উদ্বেগ জানিয়েছিলেন পোপ।

এদিকে পোপকে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দ ব্যবহার না করার পরামর্শ দেয়ার ঘটনার বিরোধিতা করেছে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা।

জানা যায়, ৬ নভেম্বর কফি আনান আরও তিনজন প্রভাবশালী ব্যক্তিকে নিয়ে পোপ ফ্রান্সিসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি ও তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা পোপকে ‘রোহিঙ্গা’ শব্দটি পরিহার করে শুধু ‘রাখাইন রাজ্যের মুসলিম’ শব্দ ব্যবহারের পরামর্শ দেন।

রোহিঙ্গা শব্দটি ব্যবহারে মিয়ামমারের শাসকদের ‘মনঃক্ষুণ্ণের’ কথা চিন্তা করেই এই পরামর্শ দেয়া হয়েছে বলে দাবি মানবাধিকার কর্মীদের।

পাঁচ দিনের সফরে ২৭ নভেম্বর বাংলাদেশে আসবেন পোপ ফ্রান্সিস। পরে তিনি মিয়ানমার যাবেন। ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি সেখানে থাকবেন।

মিয়ানমারের রাখাইনে চলতি বছরের অক্টোবর থেকে নতুন করে সহিংসতা সৃষ্টির পর এখন পর্যন্ত ছয় লাখের বেশি রোহিঙ্গা মুসলিম বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এই ঘটনাকে ‘জাতিগত নিধনের ধ্রুপদি উদাহরণ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে জাতিসংঘ।
খবর: রয়টার্স


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ