সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬ ।। ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ ।। ২৮ মহর্‌রম ১৪৪৮

শিরোনাম :
যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২০ জুলাই মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের নির্দেশ শিশুদের মতো আদর-যত্নে গাছের পরিচর্যার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর  কুমিল্লা জেলার দ্বীনিয়াত মুআল্লিম জোড় সম্পন্ন কেন্দ্রীয় নূরানী তালীমুল কুরআন মাদরাসার উস্তাদ আব্দুল জলিলের ইন্তেকাল ইউরোপে তীব্র তাপপ্রবাহে এক সপ্তাহে ১০ হাজার মৃত্যু বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে পাশে থাকার আহ্বান জাতীয় ইমাম পরিষদের ‘বিএনপির সঙ্গে সমঝোতা ছিল দেশের স্বার্থে, পদ-পদবি পাওয়ার জন্য নয়’ সন্ধ্যার মধ্যে ১৯ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা  মুসলিম আন্দালুসের কৃষি বিপ্লব: স্বর্ণযুগের গৌরবগাথা

নতুন ৮ হাসপাতালে স্থাপিত হবে পরমাণু চিকিৎসা বিভাগ

নিউজ ডেস্ক
নিউজ ডেস্ক
শেয়ার

নিহার মামদুহ
প্রতিবেদক

পরমাণু চিকিৎসা কেন্দ্র এখন বিশ্বে জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতাল লাভ করেছে। বাংলাদেশেও ঘটছে তার প্রসার। সম্প্রতি দেশের ৮টি হাসপাতালে ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেস (ইনমাস) স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

ফলে থাইরয়েড, কিডনি, লিভার ও বোন ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার প্রসার ঘটবে দেশে।

দেশে পরমাণু চিকিৎসা সেবার প্রধান অভিভাবক বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন।

বর্তমানে ১৪টি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে পরমাণু চিকিৎসাসেবা চালু রয়েছে। এর বাইরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেস (নিনমাস) প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছে।

তবে রোগীর সংখ্যার তুলনায় নিনমাস ও ইনমাসগুলোর সংখ্যা খুবই কম। একটি রোগ নির্ণয়ের জন্য অনেক চিকিৎসাপ্রার্থীকে ১৫ দিন থেকে দুই মাসও অপেক্ষা করতে হয়।

এই অবস্থায় নতুন করে আটটি হাসপাতালে ইনমাস প্রতিষ্ঠায় ৫৮২ কোটি টাকা খরচ হবে বলে প্রাক্কলন করেছে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

ইতিমধ্যে প্রকল্পের ডিপিপি অনুমোদিত হয়েছে। আগামী চার মাসের মধ্যেই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে এবং ওই সময় থেকেই এগুলো থেকে চিকিৎসা পাবেন জনগণ। এগুলো বাস্তবায়িত হলে পরমাণু চিকিৎসা প্রদানকারী হাসপাতালের সংখ্যা দাড়াবে ২৩টিতে।

প্রস্তাবিত আটটি ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেস (ইনমাস) স্থাপিত হবে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের শের-এ-বাংলা শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, মহাখালীর জাতীয় বক্ষব্যাধি হাসপাতাল, গোপালগঞ্জের শেখ সায়েরা খাতুন মেডিক্যাল কলেজ এবং পাবনা, কুষ্টিয়া, যশোর, কক্সবাজার ও সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।


সম্পর্কিত খবর

সর্বশেষ সংবাদ